টোকিওর হানেদা বিমানবন্দরে মাল বহন করছে চালকবিহীন টয়োটা গাড়ি

By স্টার অনলাইন ডেস্ক

টোকিওর হানেদা বিমানবন্দরে মালামাল পরিবহনের কাজে পরীক্ষামূলকভাবে চালকবিহীন গাড়ি ব্যবহার করা হচ্ছে। 

আজ বুধবার এই তথ্য জানিয়েছে এএফপি।

পর্যটকের সংখ্যার সঙ্গে তাল মিলিয়ে শ্রমিক নিয়োগ দিতে না পারায় বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ চালকবিহীন গাড়ি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেয়।

হানেদা বিশ্বের ব্যস্ততম বিমানবন্দরের অন্যতম। এই গাড়িটি একবারে ১৩ টন ওজনের কন্টেইনার টেনে নিয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে এর নির্মাতা অল নিপ্পন এয়ারওয়েজ (আনা) ও টয়োটা ইন্ডাস্ট্রিজ। দুই নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের যৌথ বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়।

jalal_26dec23.jpg
হানেদা বিমানবন্দরে পরীক্ষামূলকভাবে চলছে চালকবিহীন টয়োটা গাড়ি। ছবি: নির্মাতার ওয়েবসাইট থেকে সংগৃহীত

একবারে ছয়টি কন্টেইনার টানতে পারে এই গাড়িটি। কোনো চালক ছাড়াই উড়োজাহাজ ও বিমানবন্দর ভবনের মধ্যে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরত্ব অনায়াসে পাড়ি দিতে পারে এই স্বচালিত গাড়ি। 

১ জুলাই থেকে এই 'লেভেল চার' গাড়িটি বিমানবন্দরে চলছে।

লেভেল চারের অর্থ হল, এটা চালাতে কোনো মানুষের প্রয়োজন নেই, তবে চাইলে কোনো মানুষ এর সরাসরি নিয়ন্ত্রণ নিতে পারেন।

উড়োজাহাজ খাতের আধুনিকায়ন উদ্যোগের অংশ হিসেবে কর্তৃপক্ষ হানেদা বিমানবন্দরে এই গাড়িটি পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবহার করছে।

দুই প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, তারা এ বছরের শেষ নাগাদ এটি পুরোপুরি প্রস্তুত হবে।

জাপানের ওসাকায় অবস্থিত কানসাই বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের দাবি, তারা কখনো কোনো যাত্রীর ব্যাগ হারায়নি।

তবে পর্যটকের সংখ্যা অনেক বেড়ে যাওয়ায় এ ধরনের দাবি টিকিয়ে রাখতে হিমশিম খাচ্ছে জাপান।

Fog.jpg
হানেদা বিমানবন্দরে টয়োটার চালকবিহীন গাড়ি। ছবি: নির্মাতার ওয়েবসাইট থেকে সংগৃহীত

২০৩০ এর মধ্যে দেশটি বার্ষিক পর্যটকের সংখ্যা দ্বিগুণ করে ছয় কোটিতে নিতে চায়।

অপরদিকে, জাপানের নাগরিকদের গড় বয়স অনেক বেশি। দেশটির জনসংখ্যার একটি বড় অংশের বয়স ৬৫ বছর বা তার চেয়েও বেশি। এ কারণে সেখানে বিভিন্ন খাতে কর্মী সংকট দেখা দিয়েছে।

এর আগেও স্বচালিত গাড়ি পরীক্ষামূলকভাবে সড়কে নামিয়েছে জাপান। গত বছর থেকে জাপানের সরকারি সড়কগুলোতে লেভেল চার গাড়ি চলাচলকে বৈধতা দেওয়া হয়েছে।