গ্রাম আদালত আইনের সাংবিধানিক বৈধতার প্রশ্নে হাইকোর্টের রুল

স্টার অনলাইন রিপোর্ট

গ্রাম আদালত আইন কেন অসাংবিধানিক ঘোষণা করে বাতিল করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। সরকারকে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আদালত বলেছেন, আইনের মাধ্যমে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের বিচারিক ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

আজ সোমবার বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

এর আগে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি গ্রাম আদালত আইন, ২০০৬ এর সাংবিধানিক বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত হাসান।

তিনি বলেন, আইনের মাধ্যমে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের ওপর বিচারিক ক্ষমতা ন্যস্ত করা সংবিধানের ২২ অনুচ্ছেদের পরিপন্থী, যেখানে বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথক রাখার নির্দেশনা রয়েছে।

রিটে আইনজীবী ইশরাত হাসান বলেন, রাজনৈতিকভাবে সম্পৃক্ত স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দেওয়ানি ও ফৌজদারি বিষয়ে বিচারিক ক্ষমতা প্রদান স্বাধীন ও নিরপেক্ষ বিচারব্যবস্থার মৌলিক কাঠামোকে ক্ষুণ্ন করে।

তিনি আরও বলেন, সংবিধানের ৩৫(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রত্যেক নাগরিক আইনে প্রতিষ্ঠিত স্বাধীন ও নিরপেক্ষ আদালত বা ট্রাইব্যুনালে দ্রুত এবং প্রকাশ্য বিচারের অধিকারী। কিন্তু গ্রাম আদালতে প্রশিক্ষিত বিচারিক কর্মকর্তা নেই।

আইনজীবী ইশরাত হাসান নিজেই রিটের পক্ষে শুনানি করেন এবং শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল খান জিয়াউর রহমান ও আবদুল করিম উপস্থিত ছিলেন।