ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৫টিতে বিএনপি, একটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী জয়ী
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনের মধ্যে পাঁচটিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং একটি আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন।
রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহান বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ফলাফল সংগ্রহ ও পরিবেশন কেন্দ্র থেকে ফল ঘোষণা করেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এমএ হান্নান ধানের শীষ প্রতীকে ৬৮ হাজার ৯২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী এ কে এম কামরুজ্জামান মামুন ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ৩৫ হাজার ২২০ ভোট।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) আসনে বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা। তিনি মোট ১ লাখ ২৫ হাজার ৫০০ ভোট পান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী, বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থী জুনায়েদ আল হাবিব পেয়েছেন ৮৯ হাজার ৮২৩ ভোট।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর-বিজয়নগর) আসনে বিএনপি প্রার্থী খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল দেড় লাখ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে পান ২ লাখ ৯ হাজার ৬৩৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপির প্রার্থী মো. আতাউল্লাহ পেয়েছেন ৬২ হাজার ৫৪৭ ভোট।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা–আখাউড়া) আসনে বিএনপি প্রার্থী ও সাবেক সচিব মুশফিকুর রহমান ধানের শীষ প্রতীকে পান ১ লাখ ৩৯ হাজার ৮৪২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর মো. আতাউর রহমান সরকার দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পান ৯১ হাজার ৭৯৬ ভোট।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) আসনে বিএনপি প্রার্থী এম এ মান্নান জয়ী হন। তিনি পান ৮৫ হাজার ৭৬৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী কাজী নাজমুল হোসেন তাপস ফুটবল প্রতীক নিয়ে পান ৮৪ হাজার ৭০৮ ভোট।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে বিএনপি জোট মনোনীত প্রার্থী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি মাথাল প্রতীকে ৯৫ হাজার ৩৪২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মো. মহসীন পেয়েছেন ৩৯ হাজার ৯৭৬ ভোট।