১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের পাইলটিং কার্যক্রমের উদ্বোধন: সমাজকল্যাণমন্ত্রী
আগামী ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের পাইলটিং কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ওইদিন ১৪ উপজেলায় কার্যক্রমের সূচনা হবে বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের উপ-কমিটির একটি সভা হয়েছে এবং এখানে ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে আলোচনা হয়েছে। উপ-কমিটির সুপারিশের আলোকে ফ্যামিলি কার্ড বিষয়ে পাইলটিংয়ের একটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আজ হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, আগামী ১০ মার্চ প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের পাইলটিং কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন। ১৪টি উপজেলাকে আমরা বাছাই করেছি। এসব উপজেলায় একটি ইউনিয়নের একটি ওয়ার্ডে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে। একযুগে সেদিন ১৪ উপজেলায় কার্যক্রমের সূচনা হবে। এটা কন্টিনিউয়াসলি চলবে এবং এই কার্যক্রম দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, ফ্যামিলি কার্ড বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের অন্যতম নির্বাচনী কমিটমেন্ট। আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দীর্ঘদিন এর ওপর কাজ করেছেন। আজ তার সভাপতিত্বে এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী, উপদেষ্টা এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এটি আজকে অনুমোদিত হয়েছে।
এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে প্রতি মাসে আড়াই হাজার টাকা করে পাওয়া যাবে। কোনো ধরনের রাজনৈতিক বিশ্বাস, কোনো ধরনের ধর্মীয় ডিসক্রিমিনেশন—কিছুই হবে না। এটি ইউনিভার্সাল একটি কার্ড এবং পরীক্ষামূলকভাবে শুরু হচ্ছে। আশা করছি আগামী চার মাসের মধ্যে পাইলটিং কার্যক্রম শেষ হয়ে যাবে। পরে আপনার সারা বাংলাদেশে আরও ব্যাপকভাবে, অন্তত প্রতিটি উপজেলা এর আওতায় আসবে।
বাছাইয়ের প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বাছাই করা হচ্ছে না। ইনফরমেশন কালেক্ট করা হচ্ছে ডোর টু ডোর স্টেপস অ্যাপ্রোচের মাধ্যমে। কোনো অবস্থাতে ঘরে বসে কোনো বাছাই হবে না। ফিল্ড লেভেল থেকে ইনফো কালেকশন করা হবে এবং কাউকে ডিসক্রিমিনেট করা হবে না। কাউকে বাদ দেওয়া হবে না। প্রোগ্রামটা রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে সরকার।
মন্ত্রী বলেন, কোনো গোয়েন্দা, কোনো দলীয়— কোনো ধরনের ইনভলভমেন্ট নাই। এখানে প্রোগ্রামটা রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে সরকার। উপজেলা পর্যায়ে ইউএনওর নেতৃত্বে, আমাদের বিভিন্ন কর্মকর্তারা আছেন, তাদের নেতৃত্বে কমিটি থাকবে। ইউনিয়ন পর্যায়ে আমাদের বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টের সরকারি কর্মচারীরা আছেন। তাদের নেতৃত্বে কমিটি থাকবে। ওয়ার্ড পর্যায়ে আমাদের বিভিন্ন পর্যায়ের সরকারি কর্মচারীরা আছেন। তাদের নেতৃত্বে কমিটি থাকবে। প্রত্যেকটি ওয়ার্ডের কার্যক্রম তদারকির জন্য ওই উপজেলার একজন প্রথম শ্রেণীর কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হবে। দ্বিস্তর বিশিষ্ট চেকিং এবং রিচেকিং হবে, যেন ভুল-ভ্রান্তি সবচেয়ে কম হয়।