তারেক রহমানের প্রথম বিদেশ সফরে অগ্রাধিকার পেতে পারে মধ্যপ্রাচ্য
বিদেশ সফরের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে বাংলাদেশের পাসপোর্ট পাওয়ার আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও সূত্রগুলো এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
ই-পাসপোর্ট ও স্বয়ংক্রিয় বর্ডার কন্ট্রোল ম্যানেজমেন্ট প্রকল্পের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ নুরুস সালাম দ্য ডেইলি স্টারকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ডা. জুবাইদা রহমান ইতিমধ্যে তার পাসপোর্ট হাতে পেয়েছেন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও শিগগির পাসপোর্ট পাবেন।
সূত্র জানায়, পাসপোর্টের কাজে গত ১৩ মার্চ পাসপোর্ট কর্মকর্তারা গুলশানে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে যান।
প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর নিয়ে এখনো সরকারিভাবে কোনো ঘোষণা আসেনি। তবে বিএনপির দলীয় সূত্র ও দুজন প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে তারেক রহমান চীন, ভারত ও পাকিস্তানসহ বেশ কয়েকটি দেশের আমন্ত্রণ পেয়েছেন।
বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতারা বলছেন, প্রথম বিদেশ সফর কূটনৈতিক দিক থেকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী এটি সতর্কতার সঙ্গে পরিকল্পনা করতে চান।
দলের এক জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফর প্রায়ই পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করে।’
দুজন মন্ত্রী ও একজন প্রতিমন্ত্রী জানান, মধ্যপ্রাচ্যে, বিশেষ করে ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাত গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। এক মন্ত্রী বলেন, ‘পরিস্থিতি স্থিতিশীল হলে প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফরের ক্ষেত্রে মধ্যপ্রাচ্য অগ্রাধিকার পেতে পারে।’
উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের শক্তিশালী অর্থনৈতিক ও শ্রমবাজারের সম্পর্ক রয়েছে। বিশেষ করে অভিবাসন, জ্বালানি সহযোগিতা, হজ ব্যবস্থাপনা এবং ওআইসিতে কূটনীতির ক্ষেত্রে সৌদি আরবের সঙ্গে ঐতিহ্যগতভাবেই বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।
তারেক রহমান প্রায় ১৭ বছর পর গত ডিসেম্বরে যুক্তরাজ্য থেকে দেশে ফেরেন। লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনের দেওয়া ট্রাভেল পাস ব্যবহার করে তিনি দেশে আসেন।
গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি নতুন পাসপোর্টের জন্য আবেদন করেন।