ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসকদের সঙ্গে ঢাবি শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ, জরুরি সেবা বন্ধ

স্টার অনলাইন রিপোর্ট

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসকদের সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

আজ বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে এ সংঘর্ষের সূত্রপাত।

সংঘর্ষে দুপক্ষের কয়েকজন আহত হয়েছে বলে জানা গেছে। ঘটনার পর থেকে জরুরি বিভাগের চিকিৎসা সেবা বন্ধ রেখেছেন চিকিৎসকরা।

ঢামেক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক দ্য ডেইলি স্টারকে সংঘর্ষের তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

 

জরুরি বিভাগের চিকিৎসকরা জানান, ঢাবির এক শিক্ষার্থী চিকিৎসার জন্য বিকেলে জরুরি বিভাগে এলে তাকে চিকিৎসাপত্র লিখে দেওয়া হয়। তবে সরকারি ওষুধ সরবরাহ না থাকায় তাকে বাইরে থেকে কিনতে বলা হয়।

কিছুক্ষণ পর ওই শিক্ষার্থী ও তার সহপাঠীরা হাসপাতালে এসে কর্তব্যরত চিকিৎসকের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করে। একপর্যায়ে চিকিৎসকরা ক্ষিপ্ত হয়ে গেলে দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতি হয়। এরপর কয়েকদফায় হাতাহাতি ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত শিক্ষার্থীরা ডেইলি স্টারকে জানায়, ঢাবি অমর একুশে হলের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী সানিম প্রেসক্রিপশনটি নিয়ে বাইরে গিয়ে কয়েকটি ফার্মেসি ঘুরে না ওষুধ পাননি। পরে ঢামেকে গিয়ে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের কাছে ওষুধ পাল্টে দিতে বলেন।

তার সহপাঠী শহীদুল্লাহ হলের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ তানজিম বলেন, 'আমরা পরে জবাব চাইলে গেলে ১০-১২ জন ডাক্তার আমাদের ওপর আক্রমণ করে।'

ঘটনা বাড়তে থাকলে সেখানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক সাইফুদ্দিন আহমেদ সেখানে যান এবং ঘটনার বর্ণনা শুনে ঢামেক হাসপাতালের পরিচালকের সঙ্গে কথা বলেন।

উভয়পক্ষই ঘটনার সূত্রপাতের জন্য অপরপক্ষকে দায়ী করছে।

পরিদর্শক মো. ফারুক বলেন, 'ঘটনার পর অতিরিক্ত পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে।'