জেলেরাও কৃষক কার্ডের আওতায় পড়বে: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
জেলে, মৎস্য আহরণকারী, মৎস্যখামারিরাও কৃষক কার্ডের আওতায় পড়বে এবং কৃষক কার্ডের মাধ্যমে তাদের ঋণ সুবিধা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
কৃষক কার্ডে প্রায় ১০ ধরনের সুবিধা থাকবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।
আজ বুধবার দুপুরে কাপ্তাই হ্রদে রাঙ্গামাটি মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশনের পোনা অবমুক্তকরণ ও জেলেদের ভিজিএফ চাল বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা জানান।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, 'কাপ্তাই লেকে আগে যে পরিমাণ মাছ পাওয়া যেত, বর্তমানে সে পরিমাণ মাছ পাচ্ছি না। এই লেকের মাছ এই এলাকার মৎস্যজীবীরাই ধরবে। কাজেই মাছগুলোকে বড় হওয়ার সুযোগ দিতে হবে, যেন মানুষের চাহিদা আমরা পূরণ করতে পারি।'
তিনি আরও বলেন, 'কাপ্তাই লেক বাংলাদেশের ঐতিহ্যের সঙ্গে সম্পৃক্ত। এই লেককে দূষণমুক্ত রাখব। এ ব্যাপারে সবাইকে সচেতন হতে হবে।'
কাপ্তাই লেকের নাব্যতা রক্ষার জন্য খননকাজ করা হবে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. ইমাম উদ্দীন কবীর, প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. অনুরাধা ভদ্র প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের তথ্য মতে, রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলার কাপ্তাই হ্রদের ওপর নির্ভরশীল ২৬ হাজার ৮৪৫ জেলে পরিবারকে প্রথম ধাপে পরিবারপ্রতি ২০ কেজি হারে ২ মাসের জন্য ৪০ কেজি করে মোট ১ হাজার ৭৪ মেট্রিকটন চাল বিতরণ করা হবে।
অন্যদিকে, চলতি মৌসুমে কাপ্তাই হ্রদে ৬০ মেট্রিকটনের অধিক মাছের পোনা ছাড়ার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে বিএফডিসির।