শ্রীলঙ্কার লিড চারশো ছাড়িয়ে

By ক্রীড়া প্রতিবেদক

প্রথম ইনিংসে বড় লিড পেয়েই ম্যাচ মুঠোয় নিয়ে গিয়েছিল শ্রীলঙ্কা। সেই লিডের সঙ্গে দ্রুত রান বাড়িয়ে লিড চারশো ছাড়িয়ে নিয়ে গেছে তারা। বাংলাদেশের সামনে তাই কঠিন এক রান তাড়ার চ্যালেঞ্জ আসতে যাচ্ছে।

পাল্লেকেলেতে চতুর্থ দিনের লাঞ্চ বিরতি পর্যন্ত ৬ উইকেটে ১৭২ রান তুলেছে স্বাগতিকরা। বাংলাদেশ থেকে এগিয়ে গেছে ৪১৪ রান। যেকোনো সময় আসতে পারে ইনিংস ঘোষণা। এই সেশনে খেলা হয়েছে ৩২ ওভার। তাতে ১৫৫ রান তুলেছে শ্রীলঙ্কা। বাংলাদেশ ৪ উইকেট ফেললেও মূলত উইকেটগুলো এসেছে লঙ্কানদের রান বাড়ানোর তাড়ায়।

আগের দিন লঙ্কান স্পিনাররা দারুণ করলেও এদিন  সকালে নেমে খুব একটা টার্ন পাচ্ছিলেন না বাংলাদেশের স্পিনাররা। ফুটে বেরুচ্ছিল দুদলের স্পিনারদের দক্ষতার তারতম্য।  তবে উইকেট একটা চলে আসে দ্রুতই। দিনের সপ্তম ওভারে আঘাত হানেন তাইজুল ইসলাম। তার বাড়তি লাফানো এক বলে ফরোয়ার্ড শট লেগে ক্যাচ দেন পুরো সিরিজে রান না পাওয়া অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস।

কিন্তু অধিনায়ক করুনারত্নে ছিলেন অবিচল। রানও বের করছিলেন সহজে। মেহেদী হাসান মিরাজকে অনায়াসে বেরিয়ে এসে ছক্কা, রিভার্স সুইপে চার বের করে রান বাড়িয়ে নেন তিনি।

লঙ্কান দলনেতা ফিফটিতে পৌঁছান ৫৯ বলে। একটা বড় সংগ্রহের দিকে দলকে নিয়ে ছুটেন তিনি। টার্নিং উইকেটেও সুবিধা করতে না পারায় মিরাজের বদলে ডাকা হয় অনিয়মিত স্পিনার সাইফ হাসানকে। তাতেই কাজ হয়েছে। সাইফের বলে ফরোয়ার্ড শর্ট লেগে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ৬৬ রান করা করুনারত্নে।

ধনঞ্জয়া ডিলভা এসেও পরিস্থিতির দাবি মেটাচ্ছিলেন। বাউন্ডারি বের করতেও অসুবিধা হচ্ছিল না তার। মিরাজকে উড়ান ছক্কাতেও। অবশ্যই ঠিক পরে মিরাজের বলে ক্যাচ দেন উইকেটের পেছনে। বল কিপারের পায়ে লেগে স্লিপে শান্ত হাতে জমে সহজে। ৫২ বলে গুরুত্বপূর্ণ ৪১ করে যান তিনি।

তবে প্রতিটি উইকেটই এসেছে ব্যাটসম্যানের আগ্রাসী রান বাড়ানোর তাড়ায়। বাংলাদেশের স্পিনারদের কেউ সামান্য বিপাকে ফেলতে পারেননি ব্যাটসম্যানদের। কিছু উইকেট পড়লেও প্রয়োজনীয় রান চলে আসে সহজে।

আগের ইনিংসে ওয়ানডে মেজাজে ব্যাট চালানো নিরোশান ডিকভেলা এবার তা করে গেলেন। তার ব্যাটে লিড ছাড়িয়ে গেল চারশো।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

(চতুর্থ দিনের লাঞ্চ বিরতি পর্যন্ত)

শ্রীলঙ্কা প্রথম ইনিংস:  ৪৯৩/৭ (ইনিংস ঘোষণা)

বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস:  ২৫১

শ্রীলঙ্কা দ্বিতীয় ইনিংস: ৩৯ ওভারে ১৭২/৬ ( থিরিমান্নে ২, করুনারত্নে ৬৬, ওসাদা ১, ম্যাথিউস ১২, ধনঞ্জয়া ৪১, পাথুম ২৪, ডিকভেলা ২৩*, রমেশ ২*; মিরাজ ২/৬৬ , শরিফুল ০/৮, তাইজুল ৩/৬০, তাসকিন ০/১৬, সাইফ  ১/২২)