অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত হলো আইপিএল
বেশ কয়েকটি ফ্র্যাঞ্চাইজির খেলোয়াড়-সদস্যরা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার প্রভাব পড়ল আইপিএলে। অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করা হলো বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় এই ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি আসরটি।
মঙ্গলবার ভারতের সর্বোচ্চ ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক সংস্থা (বিসিসিআই) ও আইপিএলের পরিচালনা পরিষদ যৌথভাবে এই ঘোষণা দিয়েছে।
আগের দিন কলকাতা নাইট রাইডার্সের দুই খেলোয়াড় ও চেন্নাই সুপার কিংসের তিন সদস্য করোনায় আক্রান্ত হন। এদিন আরও দুই খেলোয়াড়ের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। তারা হলেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের ঋদ্ধিমান সাহা ও দিল্লি ক্যাপিটালসের অমিত মিশ্র।
আইপিএলের চেয়ারম্যান ব্রিজেশ প্যাটেল ভারতীয় গণমাধ্যম দ্য হিন্দুকে বলেছেন, ‘আমরা আপাতত আইপিএল স্থগিতের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। নতুন সূচি পরে ঠিক করা হবে।’
UPDATE: The Indian Premier League Governing Council (IPL GC) and Board of Control for Cricket in India (BCCI) in an emergency meeting has unanimously decided to postpone IPL 2021 season with immediate effect.
— IndianPremierLeague (@IPL) May 4, 2021
Details - https://t.co/OgYXPj9FQy pic.twitter.com/lYmjBId8gL
কলকাতার দুই ক্রিকেটার বরুণ চক্রবর্তী ও সন্দীপ ওয়ারিয়ার চোটের জন্য হাসপাতালে স্ক্যান করাতে গিয়েছিলেন। পরে তারা করোনায় আক্রান্ত হন। সেকারণে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বিপক্ষে কলকাতার ম্যাচ স্থগিত করা হয়। ওই খবরের রেশ না কাটতেই চেন্নাই সুপার কিংসের তিন সদস্য করোনা পরীক্ষায় পজিটিভ হন। তারা হলেন দলটির বোলিং কোচ লক্ষ্মীপতি বালাজি, সিইও কাসি বিশ্বনাথন ও একজন বাস-ক্লিনার।
জৈব সুরক্ষা বলয়ে থাকার পরও করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় ভীতি ছড়িয়ে পড়ে ক্রিকেটারদের মধ্যে। তাই এদিন দুপুরে জরুরি ভিত্তিতে সভায় বসেছিলেন বিসিসিআই ও আইপিএলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
ক্রিকেট বিষয়ক ওয়েবসাইট ক্রিকবাজ জানিয়েছে, বৈঠক ডাকার আগে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করেন আয়োজকরা। তারা এই প্রতিযোগিতার ভবিষ্যৎ নিয়ে পরামর্শ চেয়েছিলেন দলগুলোর কাছে। বেশ কয়েকটি দল এবারের আইপিএল পুরোপুরি স্থগিতের পক্ষেও মত দেয়।
উল্লেখ্য, গত মাস থেকে ভারতের করোনাভাইরাস পরিস্থিতির ভয়াবহ অবনতি ঘটেছে। এর মাঝেও আইপিএল চলায় ঝড় ওঠে আলোচনা-সমালোচনার। দেশটির সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, সেখানে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত আরও তিন লাখ ৫৭ হাজার ২২৯ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। একই সময়ে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন আরও তিন হাজার ৪৪৯ জন।