মিরপুর টেস্ট

বৃষ্টি বিরতির পর আরেকটু দ্রুত রান তোলা কি যেত না?

ক্রীড়া প্রতিবেদক

বৃষ্টিতে এক সেশনেরও বেশি ভেসে যাওয়ার পর বাংলাদেশ কি আরও দ্রুত রান তুলতে পারত কি না, এই প্রশ্ন উঠল শুরুতেই। হাতে যেহেতু উইকেট আছে, আরেকটু চালিয়ে খেলে জেতার সম্ভাবনা বাড়ানো যেত। তবে ব্যাটিং কোচ মোহাম্মদ আশরাফুল মনে করেন পরিস্থিতির দাবি অনুযায়ী খেলে যাচ্ছেন তারা। শেষ দিনে প্রতিপক্ষ পাকিস্তানকে গুটিয়ে দেওয়ার মতো যথেষ্ট সময়ও নাকি বের করে ফেলতে পারবেন তারা।

চতুর্থ দিন শেষে ৭ উইকেট হাতে নিয়ে ১৭৯ রানে এগিয়ে আছে বাংলাদেশ। ২ উইকেটে ৯৩ রানে লাঞ্চ বিরতিতে যায় স্বাগতিকরা। এরপর ঝুম বৃষ্টিতে ভেসে যায় দ্বিতীয় সেশন। বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিট থেকে পরে আরও ১৯ ওভার খেলা হয়েছে। বাংলাদেশ ১ উইকেট হারিয়ে যোগ করেছে স্রেফ ৫৯ রান।

৩ উইকেটে ১৫২ রানের মধ্যে অধিনায়ক শান্ত ১০৫ বল খেলে ৫৮ রানে ক্রিজে আছেন, ৩১ বলে ১৬ করেন মুশফিক। এর আগে ১২০ বলে ৫৬ করে ফিরে যান মুমিনুল।

চতুর্থ দিনে লিড দুইশো ছাড়িয়ে যাওয়া গেলে শেষ দিনে বোলারদের হাতে পর্যাপ্ত সময় দেওয়া যেত। তবে আশরাফুল মনে করেন তাদের দল যেভাবে খেলতে হয় সেভাবেই খেলেছে, ‘ধীরগতিতে তো খেলেনি। টেস্ট ক্রিকেট যেভাবে আসলে খেলতে হয়, আমি মনে করি যে আমরা ওভাবেই খেলছি। বৃষ্টিটা তো আমাদের কন্ট্রোলের মধ্যে নাই। নিয়ন্ত্রণের বাইরের ব্যাপার। আমি বলব, এখনও উইকেটে যে সহায়তা আছে, আমরা যদি কালকে সকালে আরেকটু ভালো ব্যাটিং করি, এই ম্যাচ জেতা সম্ভব।’

বাংলাদেশ নিরাপদ ব্যাট করায় ড্রয়ের চিন্তাও মাথায় আছে কি না প্রশ্নে অবশ্য তিনি জানালেন, পাকিস্তানকে গুটিয়ে দিতে ছক কষা আছে তাদের, ‘অবশ্যই আমরা জেতার জন্য খেলছি এবং আমাদের যে বোলিং আক্রমণ, বিশেষ করে আমাদের স্পিন আক্রমণ এবং ফাস্ট বোলিং আক্রমণ, আমরা যদি ৭০-৭৫ ওভার বল করতে পারি, কালকে যদি বৃষ্টি না হয়, ৯৮ ওভার খেলার সুযোগ থাকবে। ৭৫ ওভার বোলিং করতে পারলে আমি মনে করি যে আমাদের জেতার সম্ভাবনা থাকবে।’

শেষ দিনে অন্তত প্রথম ঘণ্টা ব্যাট করতে চায় স্বাগতিক দল। লিড ছাড়িয়ে নিয়ে যেতে চায় আড়াইশ, ‘আমার মনে হয় যে ৭৫ ওভার যদি আমরা বল করতে পারি এবং ২৬০ বা এই ধরনের একটা রান যদি আমরা দিতে পারি, আমার মনে হয় ওই রানে জেতা সম্ভব হবে।’