হৃদয়-মালানের ব্যাটে প্লে অফে রংপুর
দাবিদ মালান আর তাওহিদ হৃদয় ওপেন করতে নেমে গড়েন শতরানের জুটি। দুজনেই তুলে ফিফটি। তাদের ব্যাটে পাওয়া বড় পুঁজির জবাবে মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন ঝড় তুললেও সমীকরণ মেলাতে পারেনি ঢাকা ক্যাপিটালস। প্রত্যাশিত জয়ে তাই প্লে অফ নিশ্চিত করেছে রংপুর রাইডার্স।
শনিবার মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে রংপুর জিতেছে ১১ রানে। আগে ব্যাট করে ৪ উইকেটে ১৮১ রান করে রংপুর। ৭ উইকেটে ১৭০ রানে থেমে ঢাকা। মালান ৪৯ বলে ৭৮ ও হৃদয় ৪৬ বলে করেন ৬২ রান। এই জয়ে চতুর্থ দল হিসেবে প্লে অফ নিশ্চিত করেছে ফেভারিট রংপুর।
ঢাকার হয়ে ৩৩ রানে ২ উইকেট নেওয়া সাইফদ্দিন ব্যাট হাতেও ঢাকার সেরা। সাতে নেমে ৩০ বলে অপরাজিত ৫৮ রান করেন তিনি। শেষ ওভারে ৩১ রানের প্রায় অসম্ভব সমীকরণে ৩ ছক্কায় ১৯ তুলতে পারেন সাইফুদ্দিন।
রান তাড়ায় আগ্রাসী শুরু করেন উসমান খান। আরেক ওপেনার আব্দুল্লাহ আল মামুনকে দ্বিতীয় ওভারে হারালেও তার ব্যাটে রান বাড়ছিল। তবে থিতু হওয়া উসমানকে থামিয়েছেন তার স্বদেশী ফাহিম আশরাফ। মিড অফে উঠা ক্যাচ দারুণ দক্ষতায় লুফেন রংপুর অধিনায়ক লিটন দাস। এরপর পুরো আসরে ধুঁকতে থাকা সাইফ হাসানের বিদায় নাহিদ রানার স্বপ্নের ডেলিভারিতে। গতিময় বলে সাইফের স্টাম্প উড়ে যায়। ৬ বলে ১২ করে থামা সাইফ ৮ ম্যাচে করলেন মোটে ৫৯ রান। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে জাতীয় দলের সহ-অধিনায়কের এমন অবস্থা চিন্তার কারণ।
সাব্বির রহমান, শামীম পাটোয়ারিদের ব্যর্থতার দিনে নীরব অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন ছিলেন মন্থর। ২৯ বল খেলে তিনি করতে পেরেছেন ২৫ রান। ৯৯ রানে ৬ উইকেট হারানো দলকে এরপর খেলায় মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন। তার ঝড়ো ইনিংসে হারের ব্যবধান কমায় ঢাকা।
টস হেরে ব্যাট করতে নেমে দুরন্ত শুরু পায় রংপুর। মালান-হৃদয় মিলে শুরুতে সতর্ক পথে থিতু হয়ে পরে মেনে ডানা। দুই ওপেনার মিলে খেলে ফেলেন ১৪ ওভার। তাতে ১২৬ রান আনেন তারা।
৪৯ বলে ৮ চার, ৪ ছক্কায় ৭৮ করে মালানের বিদায়ের পর টুর্নামেন্টে দ্বিতীয় ফিফটি করে থামেন হৃদয়। ৪৬ বলে ৬২ রান করতে ৫ চারের সঙ্গে ৪ ছক্কা মারেন তিনি। শেষ দিকে রান বাড়িয়েছেন কাল মেয়ার্স। ১৬ বলে ২৪ করে অপরাজিত থাকেন তিনি। দুইশো বেশ আগে থামলেও ম্যাচ জেতার জন্য এটাই ছিলো যথেষ্ট।