সাইবার হামলায় পাঠাও ব্যবহারকারীদের নাম, ই-মেইল ও ফোন নম্বর হাতিয়ে নিয়েছে দুর্বৃত্তরা

স্টার অনলাইন রিপোর্ট

সাইবার হামলার ঘটনায় ব্যবহারকারীদের কিছু ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে রাইড শেয়ারিং ও ডেলিভারি প্ল্যাটফর্ম পাঠাও।

বুধবার এক বিবৃতিতে পাঠাও জানায়, ৪ অক্টোবর সাইবার নিরাপত্তা-সংক্রান্ত এই ঘটনা ঘটে। এরপর সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটি তাদের গুরুত্বপূর্ণ কিছু সিস্টেম সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয়। পরে সেবাগুলো পুনরায় চালু করা হলেও সিস্টেম স্থিতিশীল করার কাজ চলায় কিছু ব্যবহারকারী সাময়িক সমস্যায় পড়তে পারেন বলে জানানো হয়।

পাঠাও জানিয়েছে, ‘কিছু ব্যক্তিগত তথ্য, যার মধ্যে নাম, ই-মেইল ঠিকানা ও ফোন নম্বর রয়েছে, দুর্বৃত্তদের হাতে গেছে।’

তবে কতজন ব্যবহারকারী এতে আক্রান্ত হয়েছেন বা কীভাবে হামলাকারীরা পাঠাওয়ের সিস্টেমে প্রবেশ করেছে, তা জানায়নি প্রতিষ্ঠানটি। পাসওয়ার্ড, পেমেন্টের তথ্য, পরিচয়পত্র বা অন্য কোনো সংবেদনশীল তথ্যও হাতানো হয়েছে কি না, সে বিষয়েও পাঠাও কিছু জানায়নি।

সাইবার হামলার ঘটনায় এটিই পাঠাওয়ের প্রথম প্রকাশ্য স্বীকারোক্তি যে ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, নিরাপত্তা জোরদার এবং পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাইরের সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের যুক্ত করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকেও বিষয়টি জানানো হয়েছে এবং তদন্তে তাদের সঙ্গে সহযোগিতা করা হচ্ছে।

ব্যবহারকারীদের সতর্ক করে পাঠাও বলেছে, প্রতিষ্ঠানটির নাম ব্যবহার করে আসা কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত বার্তা, ফোনকল বা লিংকের বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। এসব যোগাযোগের মাধ্যমে কখনোই পাসওয়ার্ড, পিন বা ওটিপি দেওয়া যাবে না।

প্রতিষ্ঠানটি আরও জানিয়েছে, ঘটনার বিষয়ে পরবর্তী তথ্য ও নির্দেশনা পাঠাওয়ের অফিসিয়াল চ্যানেলগুলোতেই জানানো হবে।

তবে এই ঘটনার পরিধি এখনো স্পষ্ট নয়। কতজন ব্যবহারকারীর তথ্য চুরি হয়েছে, কতক্ষণ অননুমোদিত প্রবেশ ছিল বা কীভাবে সিস্টেমে ঢোকা হয়েছে, সেসব তথ্য প্রকাশ করেনি পাঠাও।

অনলাইনে পাঠাওয়ের কাছ থেকে আরও বড় পরিমাণ তথ্য চুরি হওয়ার যে দাবি ছড়িয়েছে, সেটিও প্রতিষ্ঠানটি প্রকাশ্যে নিশ্চিত করেনি।