জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও ‘ক্ষমতার’ অন্তহীন লড়াই
১৯৮৮ থেকে শুরু করে ২০২৬ সাল পর্যন্ত ৩৮ বছরে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করা ব্যক্তিদের মধ্যে মাত্র চারজন পূর্ণ মেয়াদ (চার বছর) শেষ করতে পেরেছেন।
শিক্ষার্থীদের আন্দোলন, শিক্ষকদের ধর্মঘট ও সরকারি নির্দেশে বারবার পদ ছাড়তে হয়েছে উপাচার্যদের। এতে দলীয় রাজনীতির পাশাপাশি দলগুলোর অভ্যন্তরীণ কোন্দলেরও ভূমিকা ছিল। নিয়োগের দুই বছর পর অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুল আহসানকে সম্প্রতি দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার ঘটনা এই দীর্ঘ ধারাবাহিকতার সর্বশেষ পর্ব।
গত ২৬ সেপ্টেম্বর মেয়াদের মাঝপথে অধ্যাপক কামরুলকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। জাবির বিএনপিপন্থি জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের সাবেক সভাপতি অধ্যাপক কামরুলকে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার নিয়োগ দেয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপিপন্থি এক অধ্যাপক জানান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) নির্বাচন নিয়ে অধ্যাপক কামরুলের সঙ্গে বিএনপিপন্থি কয়েকজন শিক্ষক ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের শুরুতেই টানাপোড়েন তৈরি হয়।
তিনি বলেন, আপনি যখন উপাচার্য এবং কোনো ভুল করেন, তখন আপনার বিরোধীরা সেই সুযোগ নেবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনপিপন্থি শিক্ষকদের মধ্যে অন্তত দুটি পক্ষ রয়েছে।
ওই অধ্যাপক বলেন, ২০২৫ সালে জাকসু নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তাব নিয়ে অধ্যাপক কামরুল তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টার কাছে গিয়েছিলেন। তবে বিএনপিপন্থি শিক্ষক ও ছাত্রদল এ উদ্যোগের বিরোধিতা করে। তাদের যুক্তি ছিল, তারা মাত্র সম্প্রতি ক্যাম্পাসের রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার সুযোগ ফিরে পেয়েছে।
গত বছরের সেপ্টেম্বরে জাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে ছাত্রদল একটি পদেও জয় পায়নি।
বিএনপিপন্থি কয়েকজন শিক্ষক বলেন, তৎকালীন প্রক্টরিয়াল বডির ‘প্রতিক্রিয়াশীল দৃষ্টিভঙ্গি’ এবং অধিকাংশ শিক্ষকের সম্মতি ছাড়াই ছয়টি বিভাগ নিয়ে একটি ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার উদ্যোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা আরও বাড়ে। জুন মাসে সিনেটে প্রস্তাবটি উত্থাপন করা হলে এ নিয়ে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টার সংস্কারে জামায়াত নেতা এস এম খালিদুজ্জামানের অনুদান গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয় জাকসু। এটিকেও অধ্যাপক কামরুলকে অপসারণের একটি কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন শিক্ষকরা।
ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনে খালিদুজ্জামান ঢাকা-১৭ আসনে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
সংস্কার করা কেন্দ্রটির একটি ফলকে অধ্যাপক কামরুল ও জাকসুর সাধারণ সম্পাদক মজহারুল ইসলামের নাম ছিল। পরে উপাচার্য সেটি সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দিলেও সমালোচকেরা বলেন, ততক্ষণে ক্ষতি যা হওয়ার হয়ে গেছে।
অধ্যাপক কামরুলের স্থলাভিষিক্ত হিসেবে অধ্যাপক মো. নূরুল ইসলামকে নিয়োগ দেওয়া হয়।
আওয়ামী লীগের বছরগুলো
আওয়ামী লীগ (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সরকারের সময়ও একই ধরনের দলাদলির চিত্র স্পষ্ট ছিল।
নৃবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মানস চৌধুরী বলেন, এখানে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের ব্যানারে রাজনীতি হলেও এসব রাজনৈতিক গোষ্ঠীর ভেতরে ছোট ছোট ক্ষমতাকেন্দ্র রয়েছে। তারা নিজেদের স্বার্থে কাজ করে এবং উপাচার্যদের বিদায়ের ক্ষেত্রেও তাদের ভূমিকা থাকে।
২০২২ সালের আগস্টে জাবি সিনেট অধ্যাপক নুরুল আলমকে উপাচার্য প্যানেলে নির্বাচিত করে। পরের মাসে আওয়ামী লীগ সরকার তাকে উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেয়।
আওয়ামী লীগপন্থি কয়েকজন শিক্ষক জানান, অধ্যাপক নুরুল আলমকে নিয়োগ দেওয়ার পর তাদের পক্ষটি দুটি ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। একপক্ষ উপাচার্যের পক্ষে অবস্থান নেয় এবং অন্য পক্ষ তার বিরোধিতা করে।
২০২৪ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলন এ বিভাজন আরও গভীর করে। ১৫ জুলাই রাতে উপাচার্যের বাসভবনে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর জাবি ছাত্রলীগের (বর্তমানে নিষিদ্ধ) নেতাকর্মীরা হামলা করার পর সমালোচনা আরও তীব্র হয়।
এক শিক্ষক বলেন, শুরু থেকেই আওয়ামী লীগপন্থি শিক্ষকদের একটি অংশ আন্দোলনকারীদের সমর্থন করেছিল। তাদের একমাত্র লক্ষ্য ছিল—উপাচার্যকে সরানো।
৩ আগস্ট নিপীড়নবিরোধী শিক্ষক সমাজ নুরুল আলমকে ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের দুই দিন পর তিনি পদত্যাগ করেন।
ফারজানার দুই মেয়াদ
নুরুল আলমের আগের উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করেন এবং টানা দুই মেয়াদে উপাচার্য ছিলেন।
২০১৪ সালে আওয়ামী লীগ সরকার অধ্যাপক ফারজানাকে নিয়োগ দেয়। শুরুতে তাকে তুলনামূলক কম প্রতিরোধের মুখে পড়তে হয়। তবে দ্বিতীয় মেয়াদে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আন্দোলন তীব্র হয়।
অধ্যাপক মানস চৌধুরী বলেন, উপাচার্য ফারজানার তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সমর্থন ছিল। যারা তাকে সরাতে পারতেন, তারাও প্রধানমন্ত্রীর প্রতি অনুগত ছিলেন। কেউ তাকে অসন্তুষ্ট করতে চাননি।
তবে তার উত্তরসূরি একই ধরনের রাজনৈতিক সুরক্ষা পাননি।
অস্থিরতার শুরু
২০১২ সালের মে মাসে আওয়ামী লীগ সরকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আনোয়ার হোসেনকে জাবির উপাচার্য নিয়োগ দেয় এবং প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই আন্দোলন শুরু হয়।
২০১৩ সালের এপ্রিল থেকে তার পদত্যাগের দাবি জানান শিক্ষকরা। এর একটি কারণ ছিল অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষক নুরুল হককে মারধরের অভিযোগে জাবি ছাত্রলীগের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহমেদ রাসেলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়া।
কলা ও মানবিকী অনুষদের সাবেক ডিন অধ্যাপক সৈয়দ মোহাম্মদ কামরুল আহসান বলেন, আনোয়ার হোসেনের পুরো মেয়াদজুড়েই অস্থিরতা চলেছে।
প্রায় এক বছর ধরে চলা শিক্ষক আন্দোলনের মধ্যে তার অপসারণের দাবি ওঠে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৪ সালের ১৩ জানুয়ারি অধ্যাপক আনোয়ার পদত্যাগ করেন।
ফারজানার আগে আওয়ামী লীগ সরকার তৎকালীন প্রো-ভিসি অধ্যাপক এমএ মতিনকে এক মাসের জন্য ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য নিয়োগ দেয়। দায়িত্ব ছাড়ার আগে তিনি উপাচার্য প্যানেল নির্বাচন সম্পন্ন করেন।
তার আগে উপাচার্যের দায়িত্বে থাকা অধ্যাপক শরীফ এনামুল কবিরও একই পরিণতির মুখে পড়েছিলেন।
২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে নিয়োগ পাওয়া অধ্যাপক কবির ২০১২ সালের মে মাসে পদত্যাগ করেন। জাবির কয়েকজন জ্যেষ্ঠ অধ্যাপক তার বিরুদ্ধে শিক্ষক নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ করেন। তারা ক্যাম্পাসে গাছ কাটার সিদ্ধান্তেরও সমালোচনা করেন। এছাড়া সমালোচকদের চাপে ফেলতে অধ্যাপক কবির প্রকাশ্যে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের সমর্থন দিতেন বলেও অভিযোগ করেন তারা।
২০১২ সালে ইংরেজি বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী জুবায়েরের মৃত্যুর পর সংঘাত আরও তীব্র হয়। ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তাকে মারধর করে গুরুতর আহত করার একদিন পর জুবায়ের মারা যান বলে অভিযোগ রয়েছে। শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা যৌথ আন্দোলন শুরু করেন। এপ্রিলে শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা হামলা করার পর অধ্যাপক কবিরের পদত্যাগের দাবিও জোরালো হয়।
আওয়ামী লীগ সরকারের সময়েরও আগের ধারা
তবে এ ধারার শুরু আওয়ামী লীগ সরকারের সময় থেকে নয়।
সামরিক সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় দুইজন জাবির উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করেন। জাবির ১৪তম উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ মুনিরুজ্জামান ২০০৮ সালের মার্চে নিয়োগ পান। তবে এক বছরেরও কম সময়ের মধ্যে ২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে তার মেয়াদ শেষ হয়।
তার আগে উপাচার্যের দায়িত্বে থাকা অধ্যাপক মুস্তাহিদুর রহমান অল্প কয়েকজনের মধ্যে একজন, যিনি পূর্ণ চার বছরের মেয়াদ শেষ করেছিলেন।
তার মেয়াদের কথা স্মরণ করে জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক মাফরুহী সাত্তার বলেন, ওই সময়ে বড় কোনো আন্দোলন হয়নি।
অধ্যাপক জসিম উদ্দিন আহমেদ ২০০১ সালের নভেম্বরে উপাচার্য নিয়োগ পান।
অধ্যাপক মাফরুহী বলেন, দুই বছরের মধ্যেই উপাচার্য প্যানেল নির্বাচনের দাবিতে জাবি শিক্ষক সমিতি (জুটার) অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটে যায়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম অচল হয়ে পড়ে। সেশনজট নিয়েও শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করেন। চাপের মুখে অধ্যাপক জসিম ২০০৪ সালে প্যানেল নির্বাচন আয়োজন করেন। তিনি ওই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও জয়ী হননি।
তবে অধ্যাপক জসিম বলেন, এই সংঘাতের শিকড় আরও গভীরে। তার ভাষ্য, বিএনপিপন্থি শিক্ষকদের একটি অংশ তার প্রশাসনের কাছে ‘অন্যায্য সুবিধা’ দাবি করেছিল, যা দিতে তিনি অস্বীকৃতি জানান।
তিনি বলেন, তাদের কয়েকজন গোপনে উপাচার্য হতে চেয়েছিলেন এবং আমার বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগঠিত করেছিলেন।
জাবির এক জ্যেষ্ঠ অধ্যাপক বলেন, ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় আসার পর তার আগের অধ্যাপক আবদুল বায়েসকে সরিয়ে দেওয়া হলে অধ্যাপক জসিম নিজেই উপাচার্যের দায়িত্বে আসেন।
আওয়ামী লীগপন্থি শিক্ষক অধ্যাপক বায়েস ১৯৯৯ সালের নভেম্বর থেকে নির্বাচিত উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
অধ্যাপক বায়েস স্মরণ করে বলেন, সরকার পরিবর্তনের পর ১০-১২ জন শিক্ষকের একটি দল আমার কার্যালয়ে এসে বলেছিল, নতুন সরকার মানেই উপাচার্য পরিবর্তন।
তিনি আরও বলেন, তারা আমাকে বলেছিল, নিয়মিত কাজের বাইরে আমি আর কিছু করতে পারব না।
অধ্যাপক বায়েস বলেন, সরকার পরিবর্তন হলেও নির্বাচিত উপাচার্যদের পূর্ণ মেয়াদ শেষ করার সুযোগ দেওয়া উচিত। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ে গণতান্ত্রিক চর্চা প্রতিষ্ঠায় সহায়তা হবে।
‘রাজনৈতিক দলগুলো নিজেদের স্বার্থে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা বন্ধ করলেই কেবল এই সংস্কৃতির পরিবর্তন হবে’, বলেন তিনি।
জাবির কয়েকজন অধ্যাপক বলেন, অধ্যাপক বায়েসের আগে অধ্যাপক আলাউদ্দিন আহমেদ উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি প্রায় এক বছর দায়িত্বে ছিলেন। ১৯৯৮ সালে ক্যাম্পাসে ধর্ষণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে আন্দোলন শুরু হলে তিনি দায়িত্ব ছাড়েন।
তৎকালীন ছাত্রলীগ নেতা মানিক তার ভাষায় ‘শততম ধর্ষণ’ উদযাপন করেছিলেন—এমন অভিযোগকে কেন্দ্র করে ধর্ষণবিরোধী আন্দোলন শুরু হয়।
তবে দলীয় শিক্ষকদের রাজনীতির এই ধারা আরও আগেই শিকড় গেড়েছিল বলে ধারণা করা হয়।
অধ্যাপক আলাউদ্দিনের আগে অধ্যাপক আমিরুল ইসলাম চৌধুরী ১৯৯৪ সাল থেকে উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করেন।
জ্যেষ্ঠ শিক্ষকরা বলেন, তখন থেকেই আওয়ামী লীগ ও বিএনপির ব্যানারে শিক্ষক রাজনীতির সূচনা হয়।
এর আগে তৎকালীন বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানসূচক কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক আবুল হোসেন এক বছর ভারপ্রাপ্ত উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করেন। কয়েকজন শিক্ষকের দাবির পর তিনি উপাচার্য প্যানেল নির্বাচন আয়োজন করেন। ওই নির্বাচনে আমিরুল ইসলাম চৌধুরী প্যানেলে প্রথম হন। তবে এর শিকড় আরও আগের হতে পারে।
জ্যেষ্ঠ শিক্ষকদের ভাষ্য, অধ্যাপক কাজী সালেহ আহমেদ ১৯৮৮ সালে দায়িত্ব নেন এবং তার প্রথম মেয়াদ পূর্ণ করেন। তবে ১৯৯৩ সালে শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচনে বাধা দিতে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের একটি পক্ষ বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পদ ভাঙচুর ও শিক্ষকদের ওপর হামলা করলে তাকে পদত্যাগ করতে হয়।
তারা জানান, তৎকালীন শিক্ষকদের অভ্যন্তরীণ দলাদলির রাজনীতিও ছাত্রদলের ওই হামলা সংগঠিত করার পেছনে ভূমিকা রেখেছিল।