সংরক্ষিত নারী আসনে নুসরাত তাবাসসুম বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য মনোনীত প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক নুসরাত তাবাসসুমকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
সোমবার রাতে রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় থেকে সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার ও ইসির যুগ্ম সচিব মো. মঈন উদ্দীন খান স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের জন্য গত ২৭ এপ্রিল হাইকোর্ট বিভাগের রিট পিটিশনের পরিপ্রেক্ষিতে মোছা. নুসরাত তাবাসসুম জ্যোতির মনোনয়নপত্র গ্রহণ করে ২ মে তা যাচাই-বাছাই করা হয়। জাতীয় সংসদ (সংরক্ষিত মহিলা আসন) নির্বাচন আইন, ২০০৪ এর ১২ উপধারা অনুযায়ী, নুসরাত তাবাসসুমকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হলো।
গত ৮ এপ্রিল ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে ইসি। গত ২১ এপ্রিল ছিল মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন। ওইদিন পর্যন্ত ৫৩ জন প্রার্থী ইসিতে মনোনয়ন জমা দেন। সেদিন নির্ধারিত সময়ের ১৯ মিনিট পর ইসির সংশ্লিষ্ট শাখায় মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন নুসরাত। তখন নুসরাতের মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেননি রিটার্নিং অফিসার।
পরবর্তীতে নুসরাত আদালতের দ্বারস্থ হন। ২৭ এপ্রিল তার মনোনয়নপত্র গ্রহণ করতে ইসিকে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট বিভাগ।
এদিকে জামায়াত জোটের সমর্থন পেয়ে ইসিতে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন এনসিপির আরেক যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন। তবে সাবেক সরকারি কর্মকর্তা হওয়ায় এবং চাকরি থেকে অবসর বা অব্যাহতির তিন বছর পার না হওয়ায় বাছাই পর্বে তার মনোনয়নপত্র বাদ পড়ে।
প্রার্থিতা ফিরে পেতে আদালতে করা রিট নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নুসরাত তাবাসসুমের নাম উল্লেখ করে গেজেট প্রকাশ না করতে রোববার এক চিঠিতে ইসিকে অনুরোধ জানিয়েছিলেন মনিরা শারমিন।
গত ৩০ এপ্রিল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ৪৯ জন সংসদ সদস্যের নাম ও ঠিকানা উল্লেখ করে গেজেট প্রকাশ করে ইসি। রোববার রাত ৯টার দিকে জাতীয় সংসদে এই ৪৯ জন সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেন।
