দুঃসময়ে তত্তিকে পাশে পাচ্ছেন জর্জিনহো
ম্যাচের ৮৭তম মিনিটে পেনাল্টি পেয়েছিল ইতালি। লক্ষ্যভেদ করতে পারলেই বিশ্বকাপে এক পা দিয়ে রাখতে পারতো দলটি। কিন্তু কি করলেন জর্জিনহো। উড়িয়ে মেরে জয়ের সুযোগ নষ্ট করেন। শেষ পর্যন্ত সুইজারল্যান্ডের সঙ্গে পয়েন্ট ভাগ করতে হলো তাদের। তাতে জর্জিনহোর সমালোচনায় মেতেছেন অনেকেই। তবে দুঃসময়ে সাবেক ইতালিয়ান কিংবদন্তি ফ্রান্সিস্কো তত্তিকে পাশে পেয়েছেন জর্জিনহো।
সুইজারল্যান্ডের সঙ্গে পয়েন্ট হারানোর ফলে আবারও বিশ্বকাপে সুযোগ না পাওয়ার শঙ্কায় পড়েছে ইতালি। গত রাশিয়া বিশ্বকাপে জায়গা হয়নি দলটির। অথচ এইতো কদিন আগেও টানা জয়ের অবিশ্বাস্য এক কীর্তি গড়েছে ইতালি। টানা ৩৭ ম্যাচ অপরাজিত থাকার নতুন বিশ্বরেকর্ড গড়েছে তারা। অথচ সেই দলটিই কি-না রয়েছে ২০২২ কাতার বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যাওয়ার শঙ্কায়। স্বাভাবিকভাবেই জর্জিনহোর উপর খেপেছেন অনেক অনুরাগী।
তবে পেনাল্টি মিস করায় জর্জিনহোকে দোষ দিচ্ছেন না তত্তি। আপাত দৃষ্টিতে পেনাল্টি থেকে গোল পাওয়াটা সহজ মনে হলেও কাজটা বেশ কঠিন বলেই মনে করেন তিনি, 'আমি মনে করি যখন আপনার কাঁধে এই ধরণের দায়িত্ব চলে আসে বিশেষ করে যদি খেলার শেষ মিনিটে হয় তখন আপনি প্রচণ্ড চাপ অনুভব করেন। তাই পেনাল্টি নেওয়া সহজ নয়।'
পেশাদার ক্যারিয়ারের পুরোটাই এএস মাতে খেলা তত্তি ৬১৯ ম্যাচে গোল করেছেন ২৫০টি। তার ৮৪টিই এসেছে পেনাল্টি। থেকে। জাতীয় দলের হয়ে পাওয়া ৯টি গোলের ২টিও পেনাল্টি থেকে। এমন ২০০৬ বিশ্বকাপ জয়ে দ্বিতীয় রাউন্ডে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ জয়টি এসেছিল তার শেষ মুহূর্তের নেওয়া পেনাল্টি থেকে। কাজটি খুব ভালোভাবেই করতে পারতেন এ কিংবদন্তি।
তবে তারপরও পেনাল্টি নেওয়াকে বেশ কঠিনও মনে করেন তিনি, 'আমি সবসময়ই বলে এসেছি, আমার ক্যারিয়ারের অনেক গোল আমি পেনাল্টি থেকে পেয়েছি। কিন্তু এটাকে আপনাকে গোলে পরিণত করতে হবে। এটা সহজ না। আপনি হয় গোল করবেন না হয় মিস। এটা সম্পূর্ণ মানসিক বাপার। টানা ৩টা মিস করাও খুব স্বাভাবিক। তবে আপনি চ্যাম্পিয়ন হলেও কিছু মনে কিছুটা সন্দেহ জাগবে।। জর্জিনহো সবসময়ই চ্যাম্পিয়ন। আপনি যখনই তাকে খেলতে দেখাবেন এটা আনন্দের সৃষ্টি করে।'