শান্তিতে নোবেল পুরস্কারটা আমারই পাওয়া উচিত: ট্রাম্প
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত বছর জাতিসংঘের মঞ্চে দাঁড়িয়ে ঘোষণা দেন, তিনি সাতটি যুদ্ধ থামিয়েছেন এবং এ কারণে তাকে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার দেওয়া উচিত। কিন্তু শেষ পর্যন্ত জোর প্রচারণা চালিয়েও নোবেলের দেখা পাননি তিনি।
চলতি বছর ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করেন ট্রাম্প। অপরদিকে, প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে ‘২৪ ঘণ্টায় থামিয়ে দেওয়ার’ ঘোষণা দিলেও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে বিরতিও আনতে পারেননি তিনি।
এর পরও গতকাল বুধবার ট্রাম্প দাবি করেছেন, পুরস্কারটা তারই প্রাপ্য। তবে এ পুরস্কার পাওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে তার সংশয় থাকার কথাও স্বীকার করেন তিনি।
আজ বৃহস্পতিবার রয়টার্সের প্রতিবেদনে বিষয়টি জানা গেছে।
শুক্রবার ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ীর নাম ঘোষণা করবে নরওয়েজীয় নোবেল কমিটি।
নোবেল কমিটি নিয়ে নিজের মতামত জানান ট্রাম্প। বলেন, ‘তারা কী সিদ্ধান্ত নেবে, আমি জানি না। আমার মতো মানুষকে তারা সম্ভবত পুরস্কারটি দেয় না। এই সুনাম তারা অর্জন করেছে।’
দ্বিতীয়বারের মতো হোয়াইট হাউসে ফেরার পর থেকেই বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ এ পুরস্কারটি নিজের প্রাপ্য বলে দাবি করে আসছেন ট্রাম্প। তার মতে, ‘এখনই এর উপযুক্ত সময়।’
পরোক্ষভাবে এ সম্মান পাওয়ার কথা উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, ‘গতবার পুরস্কার বিজয়ীর কাছ থেকে পরোক্ষভাবে এটি পেয়ে আমি বেশ সম্মানিত বোধ করেছিলাম। তিনি নিজেই বলেছিলেন যে ইতিহাসে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের চেয়ে বেশি কেউ এই পুরস্কারের যোগ্য নন।’
গতবার শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান ভেনেজুয়েলার বিরোধী দলের নেত্রী মারিয়া কারিনা মাচাদো। তিনি পরে পুরস্কারের পদকটি ট্রাম্পকে উপহার দেন।
সে সময় ভেনেজুয়েলার সরকারবিরোধী আন্দোলনে ট্রাম্পের সমর্থন পাওয়ার চেষ্টায় ছিলেন মাচাদো।
