জুলাইয়ের প্রাণ ছিল গান, তার ওপরেই আঘাত কেন?
আমরা কি এমন একটি দেশ গড়ে তুলতে পারব, যেখানে ‘মুক্তির মন্দির সোপান তলে’, ‘আওয়াজ উডা’, ‘কথা ক’ এবং বাউলের মানবদরদী গান, সবকিছুই নিজ নিজ জায়গা থেকে সমান মর্যাদায় বেঁচে থাকতে পারবে?
মতামত
স্বাস্থ্যখাতের দুরবস্থা: সাধারণ মানুষের চিকিৎসা পাওয়ার অধিকার কি স্বপ্নই থাকবে?
আমাদের স্বাস্থ্যখাতকে ঢেলে সাজানোর জন্য বড় বাজেট ঘোষণার চেয়েও বেশি প্রয়োজন সেই বাজেটের সঠিক, স্বচ্ছ, জবাবদিহিতামূলক ও সময়োপযোগী প্রয়োগ ও বাস্তবায়ন।
সম্পাদকীয় / শৈশব যেন স্ক্রিনবন্দি না হয়ে যায়
শিশুদের ভার্চুয়াল জগত থেকে বাস্তব পরিবেশে ফিরিয়ে আনতে আমাদের সব ধরনের প্রচেষ্টা চালাতে হবে।
১৫ মে ২০২৬, ১০:৫৪ অপরাহ্ন
সম্পাদকীয়
সীতাকুণ্ডের ‘সুন্দরবন’ রক্ষায় সরকারকে এখনই উদ্যোগ নিতে হবে
প্রশ্ন হলো, রাষ্ট্রীয় সংস্থাগুলো কেন বনভূমিকে খালি জমি হিসেবেই দেখে? কেন দেশের জলবায়ু সুরক্ষার জন্য আইনি সুরক্ষিত পরিবেশব্যবস্থা হিসেবে দেখছে না?
২২ নভেম্বর ২০২৫, ০৬:৪৮ পূর্বাহ্ন
সম্পাদকীয়
সড়কগুলোতে এখনই হত্যাযজ্ঞ বন্ধ হওয়া উচিত
সম্পাদকীয়
রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন দীর্ঘদিনের দাবি
সম্পাদকীয়
ভ্যাকসিন, অ্যান্টিবডি পরীক্ষা ও গণস্বাস্থ্যের কিট
অত্যন্ত সুসংবাদ যে, ভারতের উপহার ২০ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন দেশে পৌঁছাচ্ছে। কিন্তু, ভ্যাকসিন দেওয়ার ব্যবস্থাপনার শঙ্কা দূর হয়নি। বাংলাদেশে ভ্যাকসিন প্রস্তুতির অংশ হিসেবে অ্যান্টিবডি পরীক্ষা শুরু করা দরকার ছিল। সরকারের পরামর্শক কমিটির সদস্য অধ্যাপক নজরুল ইসলামসহ অনেক বিশেষজ্ঞ গত কিছু মাস ধরে এ কথা বলছিলেন। তাদের যুক্তি, প্রথমত অ্যান্টিবডি পরীক্ষা করে বোঝা দরকার ছিল বাংলাদেশে করোনাভাইরাসে প্রকৃত আক্রান্তের সংখ্যা কত? দ্বিতীয়ত, আক্রান্তদের শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরির ধরন কেমন?
১৯ জানুয়ারি ২০২১, ০৯:১৭ পূর্বাহ্ন
কতজন শিক্ষার্থী তাদের বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়তে চায় এবং কেন?
আমাদের সরকারি বা বেসরকারি কোনো বিশ্ববিদ্যালয় কি কখনো তাদের শিক্ষার্থীদের কাছে জানতে চায় নিজ বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে তারা অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার কথা ভাবছে কিনা? আমরা বিশ্ববিদ্যালয়কে অনুরোধ করব, শিক্ষার্থীদের অন্তত একবার এই প্রশ্নটি তাদের করতে। এতে করে অনেক আশা, আকাঙ্ক্ষা এবং স্বপ্ন নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের মনে কী আছে, তা জানা সম্ভব। দুর্ভাগ্যক্রমে অনেক শিক্ষার্থীর কাছেই তাদের আশা, আকাঙ্ক্ষা ও স্বপ্ন পরিণত হয়েছে হতাশা, আফসোস আর অসন্তুষ্টিতে।
১৮ জানুয়ারি ২০২১, ০৪:২৩ অপরাহ্ন
শিক্ষার্থীদের অর্জনে প্রতিষ্ঠানের সুনাম
রাজধানী ঢাকায় প্রতি পাঁচ দশমিক ৩৮ বর্গকিলোমিটারে একটি করে বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। এই শহরে এমন একটি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে যা ‘প্রাচ্যের অক্সফোর্ড’ হিসেবে খ্যাত। সেই ঢাকা যদি বিশ্বের কাছে বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃত হয়, তবে তা মোটেই কোনো কাকতালীয় ব্যাপার হবে না। বিভিন্ন আর্থ-সামাজিক অবস্থানের শিক্ষার্থীদের জন্য উচ্চশিক্ষাকে অনেক বেশি সহজলভ্য করে তুলেছে বেশ কিছু বিশ্ববিদ্যালয়। তবে, বেশিরভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ের দেওয়া একাডেমিক এক্সপেরিয়েন্স হতাশাব্যঞ্জক। এ কারণেই আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয় র্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবস্থান এত পেছনে।
১৭ জানুয়ারি ২০২১, ১০:৩০ পূর্বাহ্ন
ভুক্তভোগী নারী-শিশুকে দোষারোপকারীদেরও আইনের আওতায় আনতে হবে
রাজধানীর কলাবাগানে স্কুলছাত্রীর ধর্ষণের পর মারা যাওয়ার খবরটা শোনার পর থেকে মনটা ভীষণ কষ্টে ভরে উঠেছিল। বারবার মেয়েটির মুখ, ওর বাবা-মায়ের শোকমাখা মুখটি চোখের সামনে ভেসে উঠছিল। নিয়মিত শিশু, কিশোরী ও নারী ধর্ষণ এবং মৃত্যুর খবরে মনটা অবসন্ন হয়ে পড়ছে। সবার মনে একটাই আতঙ্ক, তাদের সন্তানের সঙ্গেও যদি এরকম দুর্ঘটনা ঘটে, তখন কী হবে? বিচার পাওয়া যাবে? নাকি চলতে থাকবে ভুক্তভোগীকেই দোষারোপ করার প্রথা?
১৬ জানুয়ারি ২০২১, ১০:৪৮ পূর্বাহ্ন
আমিও কি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অংশ?
‘কান্ট্রি রোডস, টেক মি হোম, টু দ্য প্লেস আই বিলং’;
পশ্চিম ভার্জিনিয়ায় নিজের বাড়ি ফেরার তাগাদা অনুভব করে গানটি করেছিলেন জন ডেনভার। একইভাবে, শিক্ষার্থীরা তাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে বাড়ির মতোই ভাবতে চায়। বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের ওপর পরিচালিত একাডেমিক এক্সপেরিয়েন্স প্রজেক্টের সাম্প্রতিক এক জরিপে এমনটিই উঠে এসেছে।
১৪ জানুয়ারি ২০২১, ০৯:৪৪ পূর্বাহ্ন
আয়েশা খানম এক সংগ্রামের নাম
চলে গেলেন আয়েশা খানম আপা। বাংলাদেশের নারী আন্দোলনের প্রথমসারির নেতা, অন্যতম অগ্রদূত, পুরোধা, নারীনেত্রী, মুক্তিযোদ্ধা, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি, এক সময় ছাত্র ইউনিয়ন কর্মী, আমাদের পথ প্রদর্শক আয়েশা আপা চলে গেলেন নক্ষত্রের দেশে, না ফেরার দেশে।
১২ জানুয়ারি ২০২১, ১১:২০ পূর্বাহ্ন
অ্যা বিগ অ্যাকাডেমিক লস
বিখ্যাত বা বিশিষ্ট কারো মৃত্যু হলে আমরা সব সময়ই বলি, ‘এটি অপূরণীয় ক্ষতি এবং এই শূন্যতা পূরণ হওয়ার নয়।’ অধিকাংশ সময়ই এই কথাটি নিরর্থক ও অন্তঃসারশূন্য। কারণ, অধিকাংশ মানুষের মৃত্যুই অপূরণীয় ক্ষতি নয়। এবার আমরা এমন একজন মানুষকে হারালাম, যার মৃত্যু আসলেই অপূরণীয় ক্ষতি। এই শূন্যতা ঠিক কবে পূরণ হবে— তা আমরা জানি না।
১২ জানুয়ারি ২০২১, ১০:০০ পূর্বাহ্ন
প্রতিবছর বই ছাপানোর দরকার নেই, বিকল্প ভাবুন
আমার ছেলে এখন কানাডার একটা জুনিয়র স্কুলে ক্লাস সিক্সে পড়ে। প্রি-স্কুল থেকে সে এখানে লেখাপড়া শুরু করলেও আজ পর্যন্ত আমি আমার ছেলের পাঠ্যবইয়ের কোনো চেহারা দেখিনি। প্রথম প্রথম আমার খুব অশান্তি লাগতো বই-খাতা-কলম-পেনসিল ছাড়া স্কুল হয় কিভাবে? কিন্তু, এটাই সত্যি শুধু একটা ব্যাগের মধ্যে সামান্য খাবার, স্কুল থেকে দেওয়া একটা প্রিন্টেড নোট ফাইল নিয়েই চলছে তার প্রাইমারি থেকে জুনিয়র স্কুল পর্যন্ত।
১২ জানুয়ারি ২০২১, ০৫:০৯ পূর্বাহ্ন
ক্যাপিটল হিলে গণতন্ত্রের অগ্নিপরীক্ষা: এ যুদ্ধের শেষ কোথায়?
দেশটিতে দুই শ বছরের বেশি সময় ধরে এই নিরবিচ্ছিন্ন গনতন্ত্র চর্চার স্বাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে এই ক্যাপিটল হিল। সেই ক্যাপিটল হিলে সেদিন যে নারকীয় তাণ্ডব চলল, তাও আবার তার স্বাভাবিক গনতান্ত্রিক কর্মকাণ্ড পরিচালনাকে ব্যাহত করতে, তা আমেরিকা তার সুদীর্ঘ ইতিহাসে আগে কখনও প্রত্যক্ষ করেনি।
১১ জানুয়ারি ২০২১, ০৩:২০ অপরাহ্ন
দায় মেয়েটিরই!
দু’একটি ঘটনা শরীর ও মনের ওপর এতটাই প্রভাব ফেলে যে, স্বাভাবিক চিন্তার গতি যেন থমকে যায়। কলাবাগানে ‘ও’ লেভেল শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ-হত্যা তেমনই একটি ঘটনা। এখানেই শেষ নয়। ঘটনা-পরবর্তী ঘটনা আরও হৃদয়বিদারক, আরও মর্মান্তিক।
১১ জানুয়ারি ২০২১, ০৫:১৫ পূর্বাহ্ন
ভর্তিযুদ্ধে জন্মতারিখ বিড়ম্বনা
অবশেষে হাইকোর্টের হস্তক্ষেপে বিষয়টির একরকম রফা হয়েছে বলে মনে হয়। সম্প্রতি করোনা সংকটে বিপর্যস্ত দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় উটকো ঝামেলা হয়ে দেখা দেয় মাধ্যমিক পর্যায়ে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের ভর্তির আবেদন প্রসেসিংয়ের ক্ষেত্রে জন্মতারিখ জটিলতা।
৫ জানুয়ারি ২০২১, ১২:৩৯ অপরাহ্ন
ভ্যাকসিন নেওয়ার অভিজ্ঞতা
ভ্যাকসিন নিয়ে কত কথা কত আশা— পুরো একটা বছরের ওপর চলে গেল। বিভিন্ন ভ্যাকসিনের কথা শোনা যাচ্ছে। এসব নিয়ে অনেক লেখা হয়েছে। এর মধ্যে ফাইজার, মর্ডানা ও অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিন সবচেয়ে আলোচিত। এই তিনটি ভ্যাকসিন এখন ইউরোপ ও আমেরিকাতে জরুরি ভিত্তিতে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
৫ জানুয়ারি ২০২১, ১০:৫৩ পূর্বাহ্ন
বছরের আলোচিত চরিত্র: করোনার প্রতিদ্বন্দ্বী ট্রাম্প আর দুর্নীতি
করোনাভাইরাস অতি ক্ষুদ্র। অতি ক্ষুদ্র মানে কত ক্ষুদ্র? এক ডোজ করোনা ভ্যাকসিনে মানে একটি টিকা যখন আপনি নেবেন, আপনার শরীরে প্রবেশ করবে প্রায় ৫০ বিলিয়ন ভাইরাস! দুই ডোজ বা সম্পূর্ণ একটি ভ্যাকসিনে ভেতরে আছে ১০০ বিলিয়ন ভাইরাস। করোনাভাইরাসের ক্ষুদ্রতা সম্পর্কে নিশ্চয়ই কিছুটা ধারণা করতে পারছি। চলে যাওয়া বছরের আলোচিত চরিত্রের শীর্ষ স্থানটি দখলের ক্ষেত্রে এই অতি ক্ষুদ্র করোনাভাইরাসের কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল না।
৪ জানুয়ারি ২০২১, ০৬:৪০ পূর্বাহ্ন
আর্থিক হিসাবের বাইরে থাকবেন না একজনও
‘চাহিদামাত্র ইহার বাহককে দিতে বাধ্য থাকিবে’— লাইনটির সঙ্গে পরিচয় ঘটেনি দেশে এমন একজন বয়োপ্রাপ্ত মানুষকে কি পাওয়া যাবে? আমি জানি না এর উত্তর ‘হ্যাঁ’ আসবে কিনা? তবে বদলে যাওয়ার যে সময় শুরু হয়েছে তাতে এই লাইনটিকে নতুন করে লেখার মতো অবস্থায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখি আমরা।
৩ জানুয়ারি ২০২১, ০৭:২১ পূর্বাহ্ন
২০২০: একটি অমানবিক বছর
পুরো বিশ্বই করোনা মহামারির বিরুদ্ধে লড়াই করছে। একই অবস্থা বাংলাদেশের, আমাদের। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতোই আমরাও আমাদের সমাজ, অর্থনীতি, শিক্ষাব্যবস্থা, মৌলিক পরিষেবা, এমনকি আমাদের জীবনের প্রতিটি দিক যতটা সম্ভব আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার সংগ্রামে রয়েছি। বাকি বিশ্বের মতোই আমরাও যেটা করতে ব্যর্থ হয়েছি সেটা হলো— চারপাশে হাজারো মানুষের মৃত্যু দেখেও আমাদের মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত রাখতে পারিনি। আমাদের কাছের মানুষ ও প্রিয়জনরা চলে গেছেন কিংবা কষ্ট করেছেন। কিন্তু, তাদের সাহায্য বা সেবায় এগিয়ে যেতে পারিনি। আমরা তাদের দেখতে যেতে পারিনি, সমবেদনা জানাতে পারিনি। এটা আমাদের মানসিকভাবে দুর্বল করে দিয়েছে। সামাজিক বন্ধন বিচ্ছিন্ন হয়ে একক মানুষ পরিবারভিত্তিক হয়ে বেঁচে আছি। ইন্টারনেটের বদৌলতে ভার্চুয়াল জগতটাই আমাদের সামাজিকতা টিকিয়ে রেখেছে।
২ জানুয়ারি ২০২১, ০৬:৪৯ পূর্বাহ্ন
নেপালে যা ঘটছে, আমাদের জানা-বোঝা জরুরি
দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতি বিষয়ে যারা আগ্রহী তাদের এখন চোখ রাখা দরকার নেপালের দিকে। নেপালে যে রাজনৈতিক সংকট চলছে তার অন্তত তিনটি দিক আছে। এর মধ্যে অবশ্যই একটি দিক হচ্ছে আঞ্চলিক বা বৈশ্বিক। এই আঞ্চলিক দিকটি কেবল নেপালের জন্যে গুরুত্বপূর্ণ তা নয়, বরঞ্চ তা এই অঞ্চলের সবগুলো দেশের জন্যেই প্রাসঙ্গিক।
৩০ ডিসেম্বর ২০২০, ০৮:১৯ পূর্বাহ্ন
পুলিশ কেন এত অসহিষ্ণু হবে
চলচ্চিত্রের সংলাপে পুলিশকে ‘হেয়’ করা হয়েছে, এই অভিযোগে পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা এবং পরিচালক, অভিনেতা গ্রেপ্তার। চলচ্চিত্রটি দেখিনি। ‘হেয়’ করার দৃশ্যটি দেখলাম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। একটি মেয়েকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়েছে, মেয়েটি থানায় গেছেন মামলা করতে। সেখানে পুলিশ তাকে প্রশ্নের পর প্রশ্ন করেছে। ধর্ষণ যেভাবে করা হয়েছে, খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে প্রশ্নও সেভাবে করা হয়েছে।
২৬ ডিসেম্বর ২০২০, ০৮:৫৩ পূর্বাহ্ন
উপেক্ষা নয়, তদন্তেই হোক সমাধান
নির্বাচন কমিশনকে প্রশ্নের ঊর্ধ্বে থাকতে হবে। তবে প্রশ্নের ঊর্ধ্বে উঠতে হলে নির্বাচন কমিশনকে অবশ্যই জনমনের সব প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। প্রশ্নকারী নাগরিকদের উপেক্ষা করা, এড়িয়ে যাওয়া কিংবা তাদের বিষয়ে সম্মানহানিকর বক্তব্যে জনসাধারণের মনে সন্দেহ দানা বাঁধতে শুরু করে। তাদের মনে হতে থাকে, নিশ্চয়ই কিছু আড়াল করার চেষ্টা চলছে। এমন কোনো কিছুই নির্বাচন কমিশনের জন্য ভালো না এবং অবশ্যই গণতন্ত্রের জন্যও ভালো না।
২৫ ডিসেম্বর ২০২০, ০২:২৯ অপরাহ্ন
নাগরিকের আবেদন, রাজনীতির প্রতিক্রিয়া
এমন অভিযোগ ৫০ বছরের বাংলাদেশে আগে কখনো উঠেনি। অভিযোগ আর্থিক অনিয়ম বা অসততার।
২৪ ডিসেম্বর ২০২০, ০৪:৫৮ পূর্বাহ্ন
দিবস উদযাপনের ডামাডোলেই আটকে পড়েছি
লেখাটা ঠিক কোথা থেকে, কীভাবে শুরু করা উচিৎ ভেবে পাচ্ছি না। বিজয় দিবসকে কেন্দ্র করে পতাকা তৈরি, শিক্ষকদের গ্রুপ ছবিতে অচেনা চেহারার জাতীয় পতাকা, মধুর ক্যান্টিনের সামনে মধুদার ভাস্কর্যের কান উড়িয়ে দেওয়া, কুষ্টিয়ায় বঙ্গবন্ধু ও ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা সংগ্রামী বাঘা যতীনের ভাস্কর্য ভাংচুর। এইসব ঘটনার মধ্যে দিয়ে আমরা একটা বিষয়ে পরিষ্কার বুঝতে পারছি যে যারা এইসব ভাংচুর সংস্কৃতির সঙ্গে জড়িত, তারা অন্তত দেশে কার, কী, কেন ভাঙতে হবে, কোন কোন সৃষ্টিতে হাত দিলে বেশ সাড়া ফেলা যাবে, এটা জানে।
২৩ ডিসেম্বর ২০২০, ০১:৫৮ অপরাহ্ন
ভ্যাকসিন, অ্যান্টিবডি পরীক্ষা ও গণস্বাস্থ্যের কিট
অত্যন্ত সুসংবাদ যে, ভারতের উপহার ২০ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন দেশে পৌঁছাচ্ছে। কিন্তু, ভ্যাকসিন দেওয়ার ব্যবস্থাপনার শঙ্কা দূর হয়নি। বাংলাদেশে ভ্যাকসিন প্রস্তুতির অংশ হিসেবে অ্যান্টিবডি পরীক্ষা শুরু করা দরকার ছিল। সরকারের পরামর্শক কমিটির সদস্য অধ্যাপক নজরুল ইসলামসহ অনেক বিশেষজ্ঞ গত কিছু মাস ধরে এ কথা বলছিলেন। তাদের যুক্তি, প্রথমত অ্যান্টিবডি পরীক্ষা করে বোঝা দরকার ছিল বাংলাদেশে করোনাভাইরাসে প্রকৃত আক্রান্তের সংখ্যা কত? দ্বিতীয়ত, আক্রান্তদের শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরির ধরন কেমন?
১৯ জানুয়ারি ২০২১, ০৯:১৭ পূর্বাহ্ন
কতজন শিক্ষার্থী তাদের বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়তে চায় এবং কেন?
আমাদের সরকারি বা বেসরকারি কোনো বিশ্ববিদ্যালয় কি কখনো তাদের শিক্ষার্থীদের কাছে জানতে চায় নিজ বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে তারা অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার কথা ভাবছে কিনা? আমরা বিশ্ববিদ্যালয়কে অনুরোধ করব, শিক্ষার্থীদের অন্তত একবার এই প্রশ্নটি তাদের করতে। এতে করে অনেক আশা, আকাঙ্ক্ষা এবং স্বপ্ন নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের মনে কী আছে, তা জানা সম্ভব। দুর্ভাগ্যক্রমে অনেক শিক্ষার্থীর কাছেই তাদের আশা, আকাঙ্ক্ষা ও স্বপ্ন পরিণত হয়েছে হতাশা, আফসোস আর অসন্তুষ্টিতে।
১৮ জানুয়ারি ২০২১, ০৪:২৩ অপরাহ্ন
শিক্ষার্থীদের অর্জনে প্রতিষ্ঠানের সুনাম
রাজধানী ঢাকায় প্রতি পাঁচ দশমিক ৩৮ বর্গকিলোমিটারে একটি করে বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। এই শহরে এমন একটি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে যা ‘প্রাচ্যের অক্সফোর্ড’ হিসেবে খ্যাত। সেই ঢাকা যদি বিশ্বের কাছে বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃত হয়, তবে তা মোটেই কোনো কাকতালীয় ব্যাপার হবে না। বিভিন্ন আর্থ-সামাজিক অবস্থানের শিক্ষার্থীদের জন্য উচ্চশিক্ষাকে অনেক বেশি সহজলভ্য করে তুলেছে বেশ কিছু বিশ্ববিদ্যালয়। তবে, বেশিরভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ের দেওয়া একাডেমিক এক্সপেরিয়েন্স হতাশাব্যঞ্জক। এ কারণেই আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয় র্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবস্থান এত পেছনে।
১৭ জানুয়ারি ২০২১, ১০:৩০ পূর্বাহ্ন
ভুক্তভোগী নারী-শিশুকে দোষারোপকারীদেরও আইনের আওতায় আনতে হবে
রাজধানীর কলাবাগানে স্কুলছাত্রীর ধর্ষণের পর মারা যাওয়ার খবরটা শোনার পর থেকে মনটা ভীষণ কষ্টে ভরে উঠেছিল। বারবার মেয়েটির মুখ, ওর বাবা-মায়ের শোকমাখা মুখটি চোখের সামনে ভেসে উঠছিল। নিয়মিত শিশু, কিশোরী ও নারী ধর্ষণ এবং মৃত্যুর খবরে মনটা অবসন্ন হয়ে পড়ছে। সবার মনে একটাই আতঙ্ক, তাদের সন্তানের সঙ্গেও যদি এরকম দুর্ঘটনা ঘটে, তখন কী হবে? বিচার পাওয়া যাবে? নাকি চলতে থাকবে ভুক্তভোগীকেই দোষারোপ করার প্রথা?
১৬ জানুয়ারি ২০২১, ১০:৪৮ পূর্বাহ্ন
আমিও কি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অংশ?
‘কান্ট্রি রোডস, টেক মি হোম, টু দ্য প্লেস আই বিলং’;
পশ্চিম ভার্জিনিয়ায় নিজের বাড়ি ফেরার তাগাদা অনুভব করে গানটি করেছিলেন জন ডেনভার। একইভাবে, শিক্ষার্থীরা তাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে বাড়ির মতোই ভাবতে চায়। বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের ওপর পরিচালিত একাডেমিক এক্সপেরিয়েন্স প্রজেক্টের সাম্প্রতিক এক জরিপে এমনটিই উঠে এসেছে।
১৪ জানুয়ারি ২০২১, ০৯:৪৪ পূর্বাহ্ন
আয়েশা খানম এক সংগ্রামের নাম
চলে গেলেন আয়েশা খানম আপা। বাংলাদেশের নারী আন্দোলনের প্রথমসারির নেতা, অন্যতম অগ্রদূত, পুরোধা, নারীনেত্রী, মুক্তিযোদ্ধা, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি, এক সময় ছাত্র ইউনিয়ন কর্মী, আমাদের পথ প্রদর্শক আয়েশা আপা চলে গেলেন নক্ষত্রের দেশে, না ফেরার দেশে।
১২ জানুয়ারি ২০২১, ১১:২০ পূর্বাহ্ন
অ্যা বিগ অ্যাকাডেমিক লস
বিখ্যাত বা বিশিষ্ট কারো মৃত্যু হলে আমরা সব সময়ই বলি, ‘এটি অপূরণীয় ক্ষতি এবং এই শূন্যতা পূরণ হওয়ার নয়।’ অধিকাংশ সময়ই এই কথাটি নিরর্থক ও অন্তঃসারশূন্য। কারণ, অধিকাংশ মানুষের মৃত্যুই অপূরণীয় ক্ষতি নয়। এবার আমরা এমন একজন মানুষকে হারালাম, যার মৃত্যু আসলেই অপূরণীয় ক্ষতি। এই শূন্যতা ঠিক কবে পূরণ হবে— তা আমরা জানি না।
১২ জানুয়ারি ২০২১, ১০:০০ পূর্বাহ্ন
প্রতিবছর বই ছাপানোর দরকার নেই, বিকল্প ভাবুন
আমার ছেলে এখন কানাডার একটা জুনিয়র স্কুলে ক্লাস সিক্সে পড়ে। প্রি-স্কুল থেকে সে এখানে লেখাপড়া শুরু করলেও আজ পর্যন্ত আমি আমার ছেলের পাঠ্যবইয়ের কোনো চেহারা দেখিনি। প্রথম প্রথম আমার খুব অশান্তি লাগতো বই-খাতা-কলম-পেনসিল ছাড়া স্কুল হয় কিভাবে? কিন্তু, এটাই সত্যি শুধু একটা ব্যাগের মধ্যে সামান্য খাবার, স্কুল থেকে দেওয়া একটা প্রিন্টেড নোট ফাইল নিয়েই চলছে তার প্রাইমারি থেকে জুনিয়র স্কুল পর্যন্ত।
১২ জানুয়ারি ২০২১, ০৫:০৯ পূর্বাহ্ন
ক্যাপিটল হিলে গণতন্ত্রের অগ্নিপরীক্ষা: এ যুদ্ধের শেষ কোথায়?
দেশটিতে দুই শ বছরের বেশি সময় ধরে এই নিরবিচ্ছিন্ন গনতন্ত্র চর্চার স্বাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে এই ক্যাপিটল হিল। সেই ক্যাপিটল হিলে সেদিন যে নারকীয় তাণ্ডব চলল, তাও আবার তার স্বাভাবিক গনতান্ত্রিক কর্মকাণ্ড পরিচালনাকে ব্যাহত করতে, তা আমেরিকা তার সুদীর্ঘ ইতিহাসে আগে কখনও প্রত্যক্ষ করেনি।
১১ জানুয়ারি ২০২১, ০৩:২০ অপরাহ্ন
দায় মেয়েটিরই!
দু’একটি ঘটনা শরীর ও মনের ওপর এতটাই প্রভাব ফেলে যে, স্বাভাবিক চিন্তার গতি যেন থমকে যায়। কলাবাগানে ‘ও’ লেভেল শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ-হত্যা তেমনই একটি ঘটনা। এখানেই শেষ নয়। ঘটনা-পরবর্তী ঘটনা আরও হৃদয়বিদারক, আরও মর্মান্তিক।
১১ জানুয়ারি ২০২১, ০৫:১৫ পূর্বাহ্ন
ভর্তিযুদ্ধে জন্মতারিখ বিড়ম্বনা
অবশেষে হাইকোর্টের হস্তক্ষেপে বিষয়টির একরকম রফা হয়েছে বলে মনে হয়। সম্প্রতি করোনা সংকটে বিপর্যস্ত দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় উটকো ঝামেলা হয়ে দেখা দেয় মাধ্যমিক পর্যায়ে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের ভর্তির আবেদন প্রসেসিংয়ের ক্ষেত্রে জন্মতারিখ জটিলতা।
৫ জানুয়ারি ২০২১, ১২:৩৯ অপরাহ্ন
ভ্যাকসিন নেওয়ার অভিজ্ঞতা
ভ্যাকসিন নিয়ে কত কথা কত আশা— পুরো একটা বছরের ওপর চলে গেল। বিভিন্ন ভ্যাকসিনের কথা শোনা যাচ্ছে। এসব নিয়ে অনেক লেখা হয়েছে। এর মধ্যে ফাইজার, মর্ডানা ও অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিন সবচেয়ে আলোচিত। এই তিনটি ভ্যাকসিন এখন ইউরোপ ও আমেরিকাতে জরুরি ভিত্তিতে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
৫ জানুয়ারি ২০২১, ১০:৫৩ পূর্বাহ্ন
বছরের আলোচিত চরিত্র: করোনার প্রতিদ্বন্দ্বী ট্রাম্প আর দুর্নীতি
করোনাভাইরাস অতি ক্ষুদ্র। অতি ক্ষুদ্র মানে কত ক্ষুদ্র? এক ডোজ করোনা ভ্যাকসিনে মানে একটি টিকা যখন আপনি নেবেন, আপনার শরীরে প্রবেশ করবে প্রায় ৫০ বিলিয়ন ভাইরাস! দুই ডোজ বা সম্পূর্ণ একটি ভ্যাকসিনে ভেতরে আছে ১০০ বিলিয়ন ভাইরাস। করোনাভাইরাসের ক্ষুদ্রতা সম্পর্কে নিশ্চয়ই কিছুটা ধারণা করতে পারছি। চলে যাওয়া বছরের আলোচিত চরিত্রের শীর্ষ স্থানটি দখলের ক্ষেত্রে এই অতি ক্ষুদ্র করোনাভাইরাসের কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল না।
৪ জানুয়ারি ২০২১, ০৬:৪০ পূর্বাহ্ন
আর্থিক হিসাবের বাইরে থাকবেন না একজনও
‘চাহিদামাত্র ইহার বাহককে দিতে বাধ্য থাকিবে’— লাইনটির সঙ্গে পরিচয় ঘটেনি দেশে এমন একজন বয়োপ্রাপ্ত মানুষকে কি পাওয়া যাবে? আমি জানি না এর উত্তর ‘হ্যাঁ’ আসবে কিনা? তবে বদলে যাওয়ার যে সময় শুরু হয়েছে তাতে এই লাইনটিকে নতুন করে লেখার মতো অবস্থায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখি আমরা।
৩ জানুয়ারি ২০২১, ০৭:২১ পূর্বাহ্ন
২০২০: একটি অমানবিক বছর
পুরো বিশ্বই করোনা মহামারির বিরুদ্ধে লড়াই করছে। একই অবস্থা বাংলাদেশের, আমাদের। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতোই আমরাও আমাদের সমাজ, অর্থনীতি, শিক্ষাব্যবস্থা, মৌলিক পরিষেবা, এমনকি আমাদের জীবনের প্রতিটি দিক যতটা সম্ভব আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার সংগ্রামে রয়েছি। বাকি বিশ্বের মতোই আমরাও যেটা করতে ব্যর্থ হয়েছি সেটা হলো— চারপাশে হাজারো মানুষের মৃত্যু দেখেও আমাদের মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত রাখতে পারিনি। আমাদের কাছের মানুষ ও প্রিয়জনরা চলে গেছেন কিংবা কষ্ট করেছেন। কিন্তু, তাদের সাহায্য বা সেবায় এগিয়ে যেতে পারিনি। আমরা তাদের দেখতে যেতে পারিনি, সমবেদনা জানাতে পারিনি। এটা আমাদের মানসিকভাবে দুর্বল করে দিয়েছে। সামাজিক বন্ধন বিচ্ছিন্ন হয়ে একক মানুষ পরিবারভিত্তিক হয়ে বেঁচে আছি। ইন্টারনেটের বদৌলতে ভার্চুয়াল জগতটাই আমাদের সামাজিকতা টিকিয়ে রেখেছে।
২ জানুয়ারি ২০২১, ০৬:৪৯ পূর্বাহ্ন
নেপালে যা ঘটছে, আমাদের জানা-বোঝা জরুরি
দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতি বিষয়ে যারা আগ্রহী তাদের এখন চোখ রাখা দরকার নেপালের দিকে। নেপালে যে রাজনৈতিক সংকট চলছে তার অন্তত তিনটি দিক আছে। এর মধ্যে অবশ্যই একটি দিক হচ্ছে আঞ্চলিক বা বৈশ্বিক। এই আঞ্চলিক দিকটি কেবল নেপালের জন্যে গুরুত্বপূর্ণ তা নয়, বরঞ্চ তা এই অঞ্চলের সবগুলো দেশের জন্যেই প্রাসঙ্গিক।
৩০ ডিসেম্বর ২০২০, ০৮:১৯ পূর্বাহ্ন
পুলিশ কেন এত অসহিষ্ণু হবে
চলচ্চিত্রের সংলাপে পুলিশকে ‘হেয়’ করা হয়েছে, এই অভিযোগে পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা এবং পরিচালক, অভিনেতা গ্রেপ্তার। চলচ্চিত্রটি দেখিনি। ‘হেয়’ করার দৃশ্যটি দেখলাম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। একটি মেয়েকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়েছে, মেয়েটি থানায় গেছেন মামলা করতে। সেখানে পুলিশ তাকে প্রশ্নের পর প্রশ্ন করেছে। ধর্ষণ যেভাবে করা হয়েছে, খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে প্রশ্নও সেভাবে করা হয়েছে।
২৬ ডিসেম্বর ২০২০, ০৮:৫৩ পূর্বাহ্ন
উপেক্ষা নয়, তদন্তেই হোক সমাধান
নির্বাচন কমিশনকে প্রশ্নের ঊর্ধ্বে থাকতে হবে। তবে প্রশ্নের ঊর্ধ্বে উঠতে হলে নির্বাচন কমিশনকে অবশ্যই জনমনের সব প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। প্রশ্নকারী নাগরিকদের উপেক্ষা করা, এড়িয়ে যাওয়া কিংবা তাদের বিষয়ে সম্মানহানিকর বক্তব্যে জনসাধারণের মনে সন্দেহ দানা বাঁধতে শুরু করে। তাদের মনে হতে থাকে, নিশ্চয়ই কিছু আড়াল করার চেষ্টা চলছে। এমন কোনো কিছুই নির্বাচন কমিশনের জন্য ভালো না এবং অবশ্যই গণতন্ত্রের জন্যও ভালো না।
২৫ ডিসেম্বর ২০২০, ০২:২৯ অপরাহ্ন
নাগরিকের আবেদন, রাজনীতির প্রতিক্রিয়া
এমন অভিযোগ ৫০ বছরের বাংলাদেশে আগে কখনো উঠেনি। অভিযোগ আর্থিক অনিয়ম বা অসততার।
২৪ ডিসেম্বর ২০২০, ০৪:৫৮ পূর্বাহ্ন
দিবস উদযাপনের ডামাডোলেই আটকে পড়েছি
লেখাটা ঠিক কোথা থেকে, কীভাবে শুরু করা উচিৎ ভেবে পাচ্ছি না। বিজয় দিবসকে কেন্দ্র করে পতাকা তৈরি, শিক্ষকদের গ্রুপ ছবিতে অচেনা চেহারার জাতীয় পতাকা, মধুর ক্যান্টিনের সামনে মধুদার ভাস্কর্যের কান উড়িয়ে দেওয়া, কুষ্টিয়ায় বঙ্গবন্ধু ও ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা সংগ্রামী বাঘা যতীনের ভাস্কর্য ভাংচুর। এইসব ঘটনার মধ্যে দিয়ে আমরা একটা বিষয়ে পরিষ্কার বুঝতে পারছি যে যারা এইসব ভাংচুর সংস্কৃতির সঙ্গে জড়িত, তারা অন্তত দেশে কার, কী, কেন ভাঙতে হবে, কোন কোন সৃষ্টিতে হাত দিলে বেশ সাড়া ফেলা যাবে, এটা জানে।
২৩ ডিসেম্বর ২০২০, ০১:৫৮ অপরাহ্ন