বিশ্বকাপের আগে বড় ধাক্কা খেল অস্ট্রেলিয়া

স্পোর্টস ডেস্ক

শেষ দিন পর্যন্ত আশায় ছিল অস্ট্রেলিয়া, তবে হতাশ হতে হয়েছে তাদের। পিঠের পুরোনো চোট থেকে পুরোপুরি সেরে উঠতে পারেননি প্যাট কামিন্স। তাই তাকে ছাড়াই বিশ্বকাপে যাচ্ছে অজিরা।

ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া নিশ্চিত করেছে যে, কামিন্সের কোমরের চোট কাটিয়ে উঠতে 'আরও সময়ের প্রয়োজন'। টুর্নামেন্টের শুরুর দিকে তাকে কোনোভাবে খেলানো যাবে—এমন আশা নিয়ে তাকে প্রাথমিক স্কোয়াডে রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত তা সম্ভব হয়নি। তার পরিবর্তে দলে ডাক পেয়েছেন বাঁহাতি পেসার বেন ডোয়ারশুইস।

গত ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অ্যাডিলেড টেস্টের পর কামিন্সকে আর মাঠে দেখা যায়নি। জুলাইয়ে চোটের প্রাথমিক লক্ষণ দেখা দেওয়ার পর ওই ম্যাচটিই ছিল তার একমাত্র অংশগ্রহণ। ততদিনে অ্যাশেজ জয় নিশ্চিত হয়ে যাওয়ায় বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ও পুনর্বাসনের কথা ভেবে তাকে বিশ্রামে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

জানুয়ারি মাসের স্ক্যান রিপোর্টে উন্নতির আভাস পাওয়া গেলেও বিশ্বকাপের মতো ঠাসা সূচির টুর্নামেন্টে এই ফাস্ট বোলারকে নিয়ে কোনো ঝুঁকি নিতে চাননি নির্বাচকরা।

অস্ট্রেলিয়ার নির্বাচক টনি ডোডেমাইড জানান, দলের ভারসাম্য রক্ষায় ডোয়ারশুইস একবারে সঠিক পছন্দ। তিনি বলেন, 'প্যাটের সুস্থ হতে আরও সময় প্রয়োজন। সেই জায়গায় বেন একজন কার্যকর বিকল্প, যার বাঁহাতি গতি বোলিংয়ের পাশাপাশি বল সুইং করানোর ক্ষমতা রয়েছে। এমনকি লোয়ার অর্ডারে ব্যাটিংয়েও সে অবদান রাখতে পারবে।'

এদিকে চূড়ান্ত স্কোয়াড থেকে বাদ পড়েছেন ম্যাথু শর্ট। শ্রীলঙ্কার স্পিন-সহায়ক কন্ডিশনের কথা মাথায় রেখে মিডল অর্ডার আরও মজবুত করতে সুযোগ দেওয়া হয়েছে ম্যাট রেনশকে।

বিগ ব্যাশ লিগে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা সত্ত্বেও ভাগ্য খোলেনি স্টিভেন স্মিথের। প্রথাগত টপ অর্ডার ব্যাটারের চেয়ে পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারেন এমন ক্রিকেটারদের ওপরই বেশি ভরসা রেখেছেন নির্বাচকরা।

অস্ট্রেলিয়া শিবিরের জন্য একমাত্র সুখবর হলো—সম্প্রতি চোটের চোরাবালিতে থাকা জশ হ্যাজলউড, টিম ডেভিড এবং নাথান এলিসকে খেলার জন্য পুরোপুরি ফিট ঘোষণা করা হয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপ স্কোয়াড:

মিচেল মার্শ (অধিনায়ক), জেভিয়ার বার্টলেট, কুপার কনলি, টিম ডেভিড, বেন ডোয়ারশুইস, ক্যামেরন গ্রিন, নাথান এলিস, জশ হ্যাজলউড, ট্র্যাভিস হেড, জশ ইংলিশ, ম্যাট কুনেম্যান, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, ম্যাট রেনশ, মার্কাস স্টয়নিস এবং অ্যাডাম জাম্পা।