বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় ঢাবির ২২ শিক্ষক-গবেষক
২০২৬ সালে বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২২ জন শিক্ষক ও গবেষক স্থান পেয়েছেন। একই তালিকায় বাংলাদেশের শীর্ষ গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম হয়েছে।
বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও নেদারল্যান্ডসভিত্তিক প্রকাশনা সংস্থা এলসেভিয়ার যৌথভাবে তালিকাটি প্রকাশ করে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের উপপরিচালক ফররুখ মাহমুদের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
গবেষকদের প্রকাশিত গবেষণাপত্র, সাইটেশন, এইচ-ইনডেক্স, গবেষণার ধারাবাহিকতা এবং সহ-লেখকদের গবেষণাগত প্রভাবসহ বিভিন্ন সূচকের ভিত্তিতে এ তালিকা তৈরি করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গবেষণার মান ও প্রভাবের একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে এ তালিকাকে বিবেচনা করা হয়।
তালিকায় স্থান পাওয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২২ শিক্ষক ও গবেষক হলেন মো. রাকিবুল হক (৪৬,১০৪), আবদুস সালাম (৫৩,৫০৩), মো. মাহবুবুর রহমান (৫৬,২৫৫), তসলিম উর রশিদ (৬৭,০৪৯), মুহাম্মদ ইব্রাহিম শাহ (৬৭,২৮০), এম. রেজাউল ইসলাম (৮৪,৪৮০), সুবর্ণ বড়ুয়া (৯৪,২০৭), নেপাল চন্দ্র রায় (১০১,৭৪৬), মো. কাওসার আহমেদ (১১২,৫৩১), সৈকত মিত্র (১২৪,২৯০), এম. এ. বি. এইচ. সুসান (১৪৭,১২১), মোহাম্মদ মঈনুল ইসলাম (১৫৬,৬৭০), মোহাম্মদ মিজানুর রহমান (১৫৮,৯০৮), শেখ মো. মাহমুদুল ইসলাম (১৯৮,৭০১), মো. আবদুস সালাম (২০৬,৯১৮), খন্দকার সামাহের সালেম (২৫২,৬৯৫), মোহাম্মদ ফেরদৌস (২৭০,৫২৩), মোহাম্মদ আব্দুল মতিন (৩০৭,১৩১), মো. আব্দুর রাজ্জাক (৩৫০,৬৯১), এ. এস. এম. মাকসুদ কামাল (৩৫৩,২৯৯), মো. আবদুর রশীদ (৩৯২,৫৩৬) এবং অর্ক জ্যোতি চক্রবর্তী (৭৪৩,৮৩৪)।
এ অর্জনে সন্তোষ প্রকাশ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ‘বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২২ জন শিক্ষক ও গবেষকের স্থান পাওয়া অত্যন্ত আনন্দ ও গর্বের বিষয়। একইসঙ্গে বাংলাদেশের শীর্ষ গবেষণা প্রতিষ্ঠান হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বীকৃতি আমাদের গবেষণার মান ও আন্তর্জাতিক প্রভাবের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিফলন।’
তিনি আরও বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উচ্চশিক্ষার পাশাপাশি গবেষণা ও জ্ঞান সৃষ্টির ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। শিক্ষক-গবেষকদের গবেষণা আন্তর্জাতিক পরিসরে স্বীকৃতি পাচ্ছে এবং বিশ্বের শীর্ষ গবেষকদের তালিকায় তাদের অন্তর্ভুক্তি এর একটি দৃষ্টান্ত।
গবেষণার পরিধি ও মান আরও বাড়াতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে জানিয়ে উপাচার্য বলেন, গবেষকদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং তরুণ গবেষকদের উৎসাহিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।