যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ এড়াতে কতটুকু ছাড় দিতে প্রস্তুত ইরান
একে অপরকে 'শত্রু' হিসেবে বিবেচনা করা যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান উভয়ই চায় মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সামরিক সংঘাত এড়াতে। সুদীর্ঘ বছর ধরে 'জ্বলছে' তেল-গ্যাসসমৃদ্ধ সেই অঞ্চল। তাই যেন কেউ আর নতুন সংঘাতে রাজি নয়।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো জানাচ্ছে—মহাক্ষমতাধর মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন যে ইরান 'আমাদের সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে গুরুত্ব দিচ্ছে'।
অন্যদিকে, তেহরান ইঙ্গিত দিয়েছে 'আলোচনার রূপরেখা' নিয়ে কাজ করার।
গত ৩১ জানুয়ারি আল-জাজিরা জানায়—ওয়াশিংটন ডিসি ও তেহরান নিশ্চিত করেছে যে তারা একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ করছে। সমঝোতা চুক্তিতে পৌঁছানোর পাশাপাশি দেশ দুইটি সামরিক সংঘাত এড়িয়ে চলতে চায়।
প্রতিবেদন অনুসারে—মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক শক্তিগুলো চায় কূটনৈতিক উপায়ে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমস্যার সমাধান।
সংবাদমাধ্যমটি আরও জানায়—এয়ার ফোর্স ওয়ানে ট্রাম্প সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, তার বিশ্বাস ইরান চুক্তিতে পৌঁছাবে। চুক্তি অনুসারে তেহরান পরমাণু বোমা বানাতে পারবে না। তবে তেহরান যদি এমন চুক্তিতে রাজি হয়, তাহলে কী হবে সে বিষয়ে মার্কিন রাষ্ট্রপতি কিছু বলেননি।
তার ভাষ্য: 'ওরা (ইরান) আমাদের সঙ্গে কথা বলছে। গুরুত্ব সহকারে কথা বলছে।' একই সঙ্গে তিনি জানিয়ে দেন যে, বিমানবাহী বিশাল রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন মধ্যপ্রাচ্যের পথে রওনা দিয়েছে।
'আশা করছি, ওরা (ইরান) গ্রহণযোগ্য বিষয় নিয়ে আলোচনা করবে,' যোগ করেন ট্রাম্প।
এর কয়েক ঘণ্টা আগে ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের প্রধান আলি লারিজানি সমাজমাধ্যম এক্স-এ জানান, ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনার প্রস্তুতি নিচ্ছে তেহরান।
তার ভাষ্য: '(যুক্তরাষ্ট্র) নিজেদের মতো করে বয়ান প্রচার করছে। তা সত্ত্বেও আলোচনার রূপরেখা তৈরির কাজ চলছে।' তিনিও এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি।
যুদ্ধের ঘনঘটা?
প্রায় মাসখানেক ধরে ইরানে সরকারবিরোধী গণআন্দোলন চলা ও তা নির্মমভাবে দমনের সংবাদের মধ্যে ডোনাল্ড ট্রাম্প হঠাৎ জানিয়ে দেন যে মার্কিন সেনারা ইরানে হামলার জন্য প্রস্তুত। তখনই সারাবিশ্বে, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে হইচই পড়ে যায়। খবর আসে, উপসাগরীয় অঞ্চলের প্রভাবশালী দেশগুলোর 'অনুরোধে' আরেকটি সম্ভাব্য যুদ্ধ থেকে আপাতত হলেও দূরে থাকা গেছে।
কিন্তু, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন রণসজ্জা ও ইরানের পথে রণতরীর রওনা হওয়া—কোনকিছুই আটকানো যায়নি।
অন্যদিকে, ইরানও সামরিক মহড়ার পাশাপাশি যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতির কথা জানিয়েছে। স্যাটেলাইট ইমেজ বিশ্লেষণ প্রতিষ্ঠান প্ল্যানেট ল্যাব পিবিসির বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানায় যে স্যাটেলাইট ছবিতে দেখা যাচ্ছে, এমন সামরিক উত্তেজনার মধ্যেও ইরান পরমাণুকেন্দ্রগুলো সংস্কারে কাজ করছে।
গত ৩০ জানুয়ারি আল-জাজিরার এক সম্পাদকীয় বিশ্লেষণের শিরোনামে বলা হয়—'ট্রাম্পের "পাগলামি তত্ত্ব" কি ইরান ও মধ্যপ্রাচ্য বদলে দিতে পারে?'
এতে বলা হয়, প্রথম দফায় ক্ষমতায় এসে ট্রাম্প ইরানের 'প্রধান সেনাপতি' কাশেম সোলেইমানিকে হত্যার নির্দেশ দেন। এটি ছিল ২০২০ সালের ঘটনা। প্রতিবেশী ইরাকের রাজধানী বাগদাদে তাকে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে হত্যা করা হয়। এরপর ইরান সরকার সামরিক দিক থেকে আঞ্চলিক পরিমণ্ডলে ক্রমশ কোণঠাসা হতে থাকে।
এর আগে বিশ্বশক্তিগুলোর সঙ্গে ইরানের ঐতিহাসিক পরমাণু চুক্তি বাতিল করে দেন ট্রাম্প। শুধু তাই নয়, উপসাগরীয় দেশটির ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা বাড়িয়ে দেওয়া হয় কয়েক গুণ।
এরপর, দ্বিতীয় দফায় ক্ষমতায় এসে ট্রাম্প ইরানের ওপর আরও কঠোর ব্যবস্থা নিতে শুরু করেন।
২০২৫ সালের মাঝামাঝি সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোয় ইসরায়েলি হামলার সঙ্গে যোগ দেয় যুক্তরাষ্ট্রও। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইরানের 'শক্তি' হিসেবে বিবেচিত সশস্ত্র সংগঠনগুলোকেও প্রবল হামলার মাধ্যমে ধীরে ধীরে তেজহীন করে ফেলা হয়।
নতুন বছরের শুরুতে তথা গত ৩ জানুয়ারি, মার্কিন সেনারা দক্ষিণ আমেরিকায় 'যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী' দেশ হিসেবে পরিচিত ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে হামলা চালিয়ে সব আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি অবজ্ঞা দেখিয়ে সে দেশের রাষ্ট্রপতি নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণের পর বিশ্বমঞ্চে পালটে যায় সব সমীকরণ। অলিখিতভাবে শুরু হয় 'জোর যার মুলুক তার নীতি'।
ঠিক সেই সময় মধ্যপ্রাচ্যে 'যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী' দেশ হিসেবে পরিচিত ইরানে চলছিল সরকারবিরোধী গণআন্দোলন। তখনো ইরানে 'ভেনেজুয়েলার মতো' মার্কিন হামলার আশঙ্কা করা হয়েছিল। তবে আঞ্চলিক মিত্রদের 'অনুরোধে' যুক্তরাষ্ট্র সেসময় ইরানে হামলা থেকে বিরত ছিল বলে সংবাদ প্রতিবেদনগুলোয় উল্লেখ করা হয়।
ট্রাম্পের ২ দাবি
'ইরান কবে নাগাদ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সেই চুক্তি করতে চায়?'—গত ৩০ জানুয়ারি হোয়াইট হাউসে এক সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প প্রথমে হেঁয়ালি করে বলেন, 'ওরা (ইরান) নিশ্চিত করে বলতে পারবে।'
এরপর তিনি দেন এক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য—'আমি শুধু এটুকুই বলতে পারি যে, ওরা চুক্তি করতে চায়।'
তবে মার্কিন রাষ্ট্রপতি সাংবাদিকদের আশ্বস্ত করেন এই বলে—'চুক্তির বিষয়ে আমরা আশাবাদী। চুক্তি করতে পারলে ভালো হবে। চুক্তি যদি না হয়, তাহলে কী হবে তা সবাই দেখতে পাবে।'
গত ৩১ জানুয়ারি এসব তথ্য তুলে ধরে বিবিসি জানায়—ইরানের ভাষ্য, তারা নিজেদের ক্ষেপণাস্ত্র ও প্রতিরক্ষার বিষয়ে কোনো 'আপস' করবে না।
গত ২৮ জানুয়ারি পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি রণসজ্জার প্রেক্ষাপটে ট্রাম্প 'প্রতিপক্ষ' ইরানকে সতর্ক করে বলেছিলেন যে তেহরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে চুক্তিতে পৌঁছানোর সময় ফুরিয়ে আসছে।
এমন পরিস্থিতিতে গত ৩০ জানুয়ারি ইস্তান্বুলে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানের সঙ্গে যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে বলেছিলেন, 'যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার পরিকল্পনা এখন পর্যন্ত নেই।' তবে 'পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ' ও আস্থার ওপর ভিত্তি করে যেকোনো আলোচনার জন্য তেহরান প্রস্তুত আছে বলেও জানান তিনি। আরও বলেন, 'ইরান আলোচনার জন্য প্রস্তুত আছে, যুদ্ধের জন্যও প্রস্তত।'
একইদিনে ক্রেমলিন থেকে জানানো হয়—ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের প্রধান আলি লারিজানি রুশ রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।
রুশ সংবাদ সংস্থা রিয়া-নভোসোতির বরাত দিয়ে বিবিসির সেই প্রতিবেদনে বলা হয়, তারা 'মধ্যপ্রাচ্য ও আন্তর্জাতিক' বিষয়ে কথা বলেছেন।
১৯৯০ এর দশক থেকেই ইরান বলে আসছে যে তাদের পরমাণু কর্মসূচি 'সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ'। পাশাপাশি, ইরানের বিরুদ্ধে 'পরমাণু বোমা বানানোর চেষ্টা' নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র-মিত্রদের অভিযোগও খারিজ করে আসছে তেহরান।
তবুও থেমে নেই দ্বন্দ্ব-সংঘাত। ট্রাম্পের মতে, ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য যুদ্ধ বন্ধ হতে পারে দুটি উপায়ে। এক, কোনো পরমাণু বোমা বানানো যাবে না। দুই, ইরানের সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীদের হত্যা বন্ধ করতে হবে।
মেনে নেবে তেহরান?
মোটা দাগে, ইরানের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের চাওয়া মূলত দুটি। এখন দেখার বিষয় এই দুই মার্কিন দাবি তেহরান কতটা মেনে নিতে পারবে।
প্রথম বিষয়: মুখ্যতঃ যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন পশ্চিমের দেশগুলোর চাপে ইরান তার পরমাণু কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণের চুক্তি করে ২০১৫ সালে। তৎকালীন মার্কিন রাষ্ট্রপতি নোবেল শান্তি বিজয়ী বারাক ওবামার শাসনামলে।
ইরানের সেই চুক্তিটি হয়েছিল 'ফাইভ প্লাস' নামে পরিচিত যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, রাশিয়া, চীন ও জার্মানির সঙ্গে। এরপর সেই চুক্তিকে স্বাগত জানায় সারাবিশ্ব।
তবে ২০১৭ সালে ক্ষমতায় এসে ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের প্রতি 'পক্ষপাতিত্ব' করার অভিযোগে সেই ঐতিহাসিক চুক্তিটি বাতিল করে দেন। পাশাপাশি, চাপিয়ে দেন কঠোর বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞা।
অর্থাৎ, ট্রাম্পের প্রথম দাবি ইরানের পরমাণু কর্মসূচি বন্ধ সংক্রান্ত। এ বিষয়ে বিশ্বশক্তিগুলোর সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছানোর অভিজ্ঞতা আছে ইরানের। ট্রাম্পের চাপে সেই পুরোনো চুক্তিতে এবার হয়ত 'নতুন কিছু' যোগ হতে পারে। এটি তেহরান কতটা 'জবরদস্তিমূলক' মনে করে এখন তাই দেখার বিষয়।
সংবাদ প্রতিবেদন অনুসারে ট্রাম্পের দ্বিতীয় দাবি: ইরানে সরকারবিরোধীদের ওপর নিপীড়ন বন্ধ করা। আপাতদৃষ্টিতে বিষয়টি 'সাদামাটা' মনে হতে পারে। আশা করা যায়, খামেনি-প্রশাসন তা বিবেচনায় নেবে।
ভার্জিনিয়াভিত্তিক হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্টস নিউজ এজেন্সির (এইচআরএএনএ) তথ্য মতে, গত প্রায় এক মাসে ইরানের সাম্প্রতিক ইতিহাসে সবচেয়ে বড় শাসকবিরোধী বিক্ষোভ হয়েছে। সেই বিক্ষোভে অন্তত ৬ হাজার ৩০০ জন নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৫ হাজার ৯০০ জনের বেশি বিক্ষোভকারী।
গত প্রায় ৩ সপ্তাহের তুমুল সরকারবিরোধী আন্দোলনে ইরানে ইন্টারনেট বন্ধ রাখার সময় ১৭ হাজার মানুষের মৃত্যুর ঘটনা সংবাদ সংস্থাটি তদন্ত করছে বলেও প্রতিবেদনে বলা হয়।
নরওয়েভিত্তিক ইরান হিউম্যান রাইটস (আইএইচআর) বলছে—তাদের আশঙ্কা ইরানে শাসকবিরোধী আন্দোলনে মৃতের সংখ্যা ২৫ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে।
ট্রাম্পের দ্বিতীয় দাবি মানতে গেলে ইরানের শাসকদের জবাবদিহিতার মধ্যে আনতে হবে। তা ক্ষমতাসীনদের জন্য 'বিব্রতকর' হয়ে উঠতে পারে।
এদিকে, ইরানের রাষ্ট্রপতি মাসুদ পেজেশকিয়ান তার দেশে সরকারবিরোধী গণবিক্ষোভকে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইউরোপীয়দের 'ষড়যন্ত্র' হিসেবে দেখছেন। এমন দাবি করে তিনি যেন অর্থনৈতিক দুর্দশায় পিষ্ট ইরানিদের দুর্ভোগের কথা চেপে যাচ্ছেন।
তাই ট্রাম্পের দ্বিতীয় দাবি নিয়ে ইরান 'গড়িমসি' করতে পারে বলে মনে করেন অনেক বিশ্লেষক।
আবারও যুদ্ধ?
গত বছর জুনে ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের অপ্রত্যাশিত হামলার পর উপসাগরীয় এই দেশটিকে ঘিরে আবারও উত্তেজনা দেখা যাচ্ছে। দেশ দুটি আবারও একে অপরের বিরুদ্ধে হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। ঠিক আবারও যুদ্ধের মুখোমুখি।
গত ৩০ জানুয়ারি ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম তেহরান টাইমস চীনের শাওজিং বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হোংডা ফানের বরাত দিয়ে বলে, 'যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে অধীনস্থ করে রাখতে চায়।'
এ কথা বলার অপেক্ষা রাখে না, ইরান সরকারও মার্কিন আধিপত্যবাদ থেকে দূরে থাকতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে।
গত ২৮ জানুয়ারি মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প 'ইরানের পথে বিশাল রণতরী রওয়া দিয়েছে' ঘোষণার পরপরই ইরান জানিয়ে দেয় তারা হরমুজ প্রণালীতে দুই দিনের নৌ-মহড়া করবে।
গত ৩১ জানুয়ারি সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, বিশ্ববাণিজ্যের এক গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে ইরানের সেই মহড়ায় তাজা গোলা ছোড়া হবে।
এমন ঘোষণায় যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিপ্লবী গার্ডকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, তেহরানের কোনো 'অনিরাপদ' কর্মকাণ্ডই ওয়াশিংটন 'সহ্য' করবে না।
এমন বাস্তবতায় কোনো কোনো বিশ্লেষক মনে করছেন—ট্রাম্প হয়ত 'শান্তি'র কথা বলে 'শান্তির আড়ালে' ইরানকে অপ্রত্যাশিত হামলায় কাবু করতে চান। সেখানকার শাসনব্যবস্থায় পরিবর্তন আনতে চান।
তাই দেখার বিষয়—যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ এড়াতে কতটুকু ছাড় দিতে প্রস্তুত ইরান।




